টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মওদুদের বাড়ি মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়

চট্টগ্রাম, ০৩ আগস্ট (সিটিজি টাইমস):: গুলশানের বাড়ির অবৈধ দখলদার বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের বিরুদ্ধে দেয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হয়েছে।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৮০ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

রায়ে ৩০ দিনের মধ্যে মওদুদ আহমেদকে রিভিউ আবেদন করতে বলা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাজউকের করা এক আপিল আবেদন গ্রহণ করে মওদুদ আহমেদ বাড়িটির অবৈধ দখলদার বলে রায় দেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ।

একই সঙ্গে বাড়িটির সঙ্গে সম্পৃক্ত দুদকের করা অন্যান্য দুর্নীতি মামলা বাতিল করে সর্বোচ্চ আদালত।

রায়ের পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাজউকের আপিল মঞ্জুর করায় বাড়িটি মওদুদ আহমদের ভাইয়ের নামে নামজারি করতে হবে না। ফলে ভাইয়ের নামে দখল করা বাড়িটি মওদুদকে ছাড়তে হবে।
এ ছাড়া দুর্নীতি মামলার অভিযোগ আমলে নেয়া বৈধ বলে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মওদুদ ও তার ভাই মঞ্জুরের করা আপিল নিষ্পত্তি করে দেয়ায় বিচারিক আদালতে মামলাটি চলবে না।

২০১৪ সালের ১৪ জুন এ মামলায় অভিযোগ আমলে নেন বিচারিক আদালত। এর বিরুদ্ধে তাদের আবেদন গত বছরের ২৩ জুন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন মওদুদ আহমদ। এ আবেদনের শুনানি শেষ হওয়ার পর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন আপিল বিভাগ।

দুদকের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাড়িটির প্রকৃত মালিক ছিলেন পাকিস্তানি নাগরিক মো. এহসান। ১৯৬০ সালে তৎকালীন ডিআইটির (রাজউক) কাছ থেকে এক বিঘা ১৩ কাঠার এ বাড়ির মালিকানা পান এহসান। ১৯৬৫ সালে বাড়ির মালিকানার কাগজপত্রে এহসানের পাশাপাশি তার স্ত্রী অস্ট্রেলীয় নাগরিক ইনজে মারিয়া প্লাজের নামও অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে স্ত্রীসহ ঢাকা ত্যাগ করেন এহসান। তারা আর ফিরে না আসায় ১৯৭২ সালে এটি পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হয়।

এরপর ১৯৭৩ সালের ২ আগস্ট মওদুদ তার ইংল্যান্ডপ্রবাসী ভাই মঞ্জুরের নামে একটি আমমোক্তারনামা তৈরি করে বাড়িটি সরকারের কাছ থেকে বরাদ্দ নেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

মতামত