টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে মাহমুদা হত্যা মামলায় ৩ জন রিমান্ডে

চট্টগ্রাম, ১৭ জুলাই (সিটিজি টাইমস)::  পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম হত্যা মামলায় তিন আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিন আসামি হলেন মুছার ভাই সাইদুল শিকদার ওরফে সাকু, হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া শাহজাহান ও অস্ত্র সরবরাহকারী এহতেসামুল হক ওরফে ভোলা।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, মাহমুদা খানমকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় এই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ঈদের আগে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আজ রোববার ধার্য দিনে শুনানি শেষে আদালত তিন দিন করে মঞ্জুর করেন। এ সময় আসামি পক্ষে জামিনের আবেদন ও রিমান্ড বাতিলের আবেদন করা হলে আদালত তা নাকচ করে দেন।

গত ৫ জুন নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম। এই ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাত তিনজনের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।

হত্যাকাণ্ডের ২১ দিন পর ২৬ জুন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, মুছার নেতৃত্বে মাহমুদা হত্যাকাণ্ড ঘটে। এতে ৭-৮ জন অংশ নেন।

হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি ওয়াসিম ও আনোয়ার ২৬ জুন চট্টগ্রাম আদালতে জবানবন্দি দেন। এতে তাঁরা উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডে ওয়াসিম, আনোয়ার, মো. রাশেদ, নবী, মো. শাহজাহান, কামরুল সিকদার ওরফে মুছা ও মো. কালু অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে ছিলেন ওয়াসিম, মুছা ও নবী। মাহমুদাকে ছুরিকাঘাত করেন নবী। ভোলা অস্ত্র সরবরাহ করেন। জবানবন্দিতে আবু নছরের নাম আসেনি।

আসামিদের মধ্যে নবী ও রাশেদ ৫ জুলাই ভোরে রাঙ্গুনিয়ায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

মুছাকে ২২ জুন বন্দর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে বলে দাবি করে আসছেন তাঁর স্ত্রী পান্না আক্তার। তবে পুলিশ তা অস্বীকার করে বলছে, মুছাকে হন্যে হয়ে খোঁজা হচ্ছে।

মতামত