টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আনসার ক্যাম্পে হামলা ও অস্ত্র লুট: ৩ আসামীর চার দিনের রিমান্ডে

ইমাম খাইর
কক্সবাজার ব্যুরো

চট্টগ্রাম, ১২ জুলাই (সিটিজি টাইমস)::  কক্সবাজারের টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যা¤েপর আনসার ব্যারাকে হামলা করে আনসার কমান্ডার নিহত ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় গ্রেফতার ৩ আসামীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

১২ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে টেকনাফ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অরূন পাল তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে তিন আসামীর প্রত্যেকের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টেকনাফ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ কবির হোসেন। আদালতে শুনানী শেষে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

রিমান্ড মঞ্জুরকৃত আসামীরা হলো- মুচনি ক্যা¤েপর ডি বøকের ৫ নং রুমের ৭২৯ নং সাইডের মৃত জালাল আহমদের ছেলে রফিক প্রকাশ মামুন মিয়া (৩০), ই-বøক ৯১৪ নং সাইডের ৩ নং রুমের মৃত বাছা আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (২৫), সি বøকের ১৩ নং সাইডের ৩ নং রুমের মৃত ফজল আহমদের ছেলে মো. হারুন (৩০)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পরিদর্শক মো. জামাল উদ্দিন।

রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া তিন আসামী ছাড়া আরো দুইজনকে ৩০ জুন দিবাগত রাত আড়াইটায় উখিয়া কুতুপালং শরনার্থী ক্যা¤েপ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭। এরা হলো- বøকের ৯১৪ নং সাইডের ৩ নং রুমের মৃত বাছা আলীর ছেলে আবদুস সালাম (২৯) ও সি বøকের ৮৭৯ নং সাইডের ২ নং রুমের মৃত আমির হামজার ছেলে জয়নাল প্রকাশ জানে আলম (৫০)। এরা উচ্চ আদলতের জামিনে রয়েছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা টেকনাফ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ কবির হোসেন জানান, ১২ মে দিবাগত রাত দুইটার দিকে ডাকাতদল শালবাগান আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায়। ডাকতদলের গুলিতে আনসার কমান্ডার আলী হোসেন (৫৫) নিহত হন। এ সময় ডাকাতরা আনসার ক্যাম্পের ১১টি অস্ত্র ও ৬৭০ রাউন্ড গুলি লুট করে নিয়ে যায়। নিহত আনসার আলী হোসেন টাঙ্গাইল জেলার শফিপুর এলাকার মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় আনসার প্লাটুন কমান্ডার মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩০/৩৫ জনের বিরুদ্ধে ১৩ মে টেকনাফ থানায় মামলা করেন। মামলা নং-২৪।

এর আগে গত বছরের ১৫ মার্চ নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে ডাকাতদের সঙ্গে আনসার সদস্যদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দুই আনসার সদস্য আহত ও এক ডাকাত নিহত হন। নয়াপাড়া শরণার্থীশিবিরে প্রায় ১৯ হাজার রোহিঙ্গা বাস করে।

এদিকে আনসার ক্যাম্প থেকে লুট হওয়া ১১টি অস্ত্র ও ৬৭০ রাউন্ড গুলি এখনো উদ্ধার হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, লুটকৃত অস্ত্রসমূহ নিয়ে ডাকাতদলের সদস্যরা মিয়ানমার পাড়ি জমিয়েছে।

মতামত