টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ভয়ংকর খুনী মো. ওয়াসীমের হাত ধরেই অপরাধ জগতে আনোয়ার

আব্বাস হোসাইন আফতাব
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

চট্টগ্রাম, ২৭  জুন (সিটিজি টাইমস)::  হেসে হেসে মানুষ খুন করতে পারেন রাঙ্গুনিয়ার দুর্ধর্ষ কিলার মো. আনোয়ার হোসেন। রাঙ্গুনিয়ার জনৈক শীর্ষ সন্ত্রাসীর বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কিলার আনোয়ার পরবর্তীতে যোগ দেন উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের জসিম বাহিনীর সাথে। এই বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ভয়ংকর খুনী মো. ওয়াসীমের হাত ধরেই তার অপরাধ জগতের গলি পথে হাঁটাচলা। রাঙ্গুনিয়ার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ফুলবাগিচা গাবতল এলাকার পশ্চিম গলাচিপার জনৈক এজাহার মিয়ার একমাত্র পুত্র আনোয়ার হোসেন পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের স্ত্রী মাহমুদা খাতুন মিতু হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে গতকাল আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ২০১৪ সালে রাঙ্গুনিয়ার রাণীরহাট বাজারের ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার খুনের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ আছে এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে। সদ্য সমাপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইসলামপুর ইউনিয়নে মো. মহসিন নামের এক ব্যক্তির খুনের ঘটনায়ও সে জড়িত থাকতে পারেন বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

রাঙ্গুনিয়ার এই ভাড়াটে খুনীর ব্যাপারে এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি জানান, হাসতে হাসতে মানুষ খুন করতে পারেন কিলার আনোয়ার। দক্ষিণ রাজানগর, ইসলামপুর ও রাজানগর ইউনিয়নে বিভিন্ন ব্যবসায়ি ও প্রবাসীর কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন ওয়াসীমের নেত্বত্বে সন্ত্রাসীরা। এই বাহিনীতে আনোয়ার মূখ্য ভুমিকা রাখতেন। এলাকায় অপরাধ ঘটিয়ে দ্রুতই চট্টগ্রাম শহরে সটকে পড়তেন আনোয়ার । সেখানে গ্রূপের অন্যান্যদের সাথে ইয়াবা ও অস্ত্রের ব্যবসা করতেন। বিশেষ করে ভাড়াটে খুনি হিসেবে কাজ করতো সে। পুলিশের সোর্স মুছা সিকদারের ছত্রছায়ায় থেকে শহরে নানা অপরাধ ঘটাতেন। সর্বশেষ পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী হত্যাকান্ডের ঘটনায় সে ব্যাকআপ টিমে কাজ করেছেন। কয়েকদিন আগে র্দূর্ধষ এই সন্ত্রাসী পুলিশের হাতে আটক হন। রাঙ্গুনিয়া থানায় তার বিরুদ্ধে কোন মামলা না থাকলে উঠতি সন্ত্রাসী হিসেবে থানার সন্ত্রাসী তালিকায় তার নাম রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত