টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মসজিদে নববিতে প্রতিদিন বসে বিশ্বের সর্ববৃহত ইফতার আয়োজন

শহীদ ইসলাম বাবর
মদিনা থেকে

bচট্টগ্রাম, ২৬  জুন (সিটিজি টাইমস):: রাসুল পাক (স:) রওজা মোবারক ঘিরে মসজিদে নববির মাঠে প্রতিদিনই বসছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইফতারী আয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নবীজির রওজা মোবারক জেয়ারক করতে আসা অন্তত ৫ লক্ষাধিক মানুষ এক সাথে ইফতার সারেন এখানে। মুসলমানদের জন্য মসজিদুল হারামাইন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলেও মসজিদে হারামাইনের অবকাঠামোগত অবস্থান গোলাকার হওয়াতে মসজিদে নববির মত এক সাথে ইফতার আয়োজনটা পরিলক্ষিত হয়না। তবে সেখানেও ইফতারের আয়োজন থাকে বেশ ভালই। গতকাল বিকালে মসজিদে নববি সরেজমিন পরির্দশনকালে দেখা যায়, বিকাল চারটার সময় আসর নামাজের পর পরই প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে সেচ্ছাসেবকরা কাতারে কাতারে দস্তরখানা (ছফুরা) বিছিয়ে দিচ্ছেন। আর মুসল্লীরা একে অপরের দিকে মুখ করে বসে ইফতারের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নেই কোন ধনী-গরীবের ব্যবধান,বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন বর্ণের মানুষেরা পাশপাশি বসে ইফতারের প্রস্তুতি নেওয়ার দৃশ্য সকলকে বিমোহিত করে। ইফতারের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বিভিন্ন শরীকা (কোম্পানী) ও ধর্নাঢ্য ব্যাক্তিদের পক্ষ থেকে কাতারে কাতারে নানা ধরনের ইফতারী সাজিয়ে দি”্ছ।ে কেহ রোজাদারদের জন্য সরবরাহ করছে জমজমের পানি। আর কেহ বাহারী ধরনের ইফতার সামগ্রী। সেই কাতারে ইফতার করতে বসা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মেট্রা ডায়গনিষ্টিক সেন্টারের একাউন্স ম্যানেজার নুরুল আমিন বলেন, প্রথম বারের মত ওমরা পালন করতে সৌদি আরবে এসেছি। মক্কায়ে মোয়াজ্জমায় এক সালে লাখো মুসল্লীদের সাথে ইফতার করলেও মসজিদে নববির ইফতার সম্পূর্ণূ অলাদা বলা চলে। কেনন্া এখানে এক কাতারে অন্তত বিশ থেকে ত্রিশ হাজার মানুষ এক সাথে ইফতার করছে। ইফতারীর মধ্যে থাকে থমর (খেজুর), পানি, পাস্টফুড, বিরিয়ানী, লাল ভাত,গাওয়া, ও মদিনার বিভিন্ন ধর্নাঢ্য ব্যাক্তিদের ঘরে তৈরী করা আরবীয় সংস্কৃতির বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন খাবার। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাসিন্দা বর্তমানে মদিনার ব্যভসায়ী মোহাম্মদ সোহেল জানান, দোকানে মদিনার বিভিন্ন খাদ্য তৈরীর নানা প্রজাতির খাদ্য সামগ্রী তৈরীর করলেও রোজাদার মুসল্লীরা মসজিদে নববির মাঠে ইফতার করতে সাচ্ছন্ধ্যবোধ করেন বেশী।

মদিনার ব্যবসায়ীরা জানান, অন্যবারের তুলনায় এবারের হাজির সংখ্যা একটি কম। মক্কায় মসজিদুল হারামের সম্প্রসারণ কাজ শেষ না হওয়ার কারনে সৌদি কর্তৃপক্ষ ওমরা ভিসায় কড়াকড়ি আরো করে রেখেছে। যার ফলে চাহিদা অনুযায়ী হাজিরা আসতে পারতেছেনা।

মতামত