টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যায় ১১ আসামির খালাসের রায় স্থগিত

চট্টগ্রাম, ২০ জুন (সিটিজি টাইমস):: গাজীপুরের সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ১১ আসামিকে হাইকোর্টের দেয়া খালাসের রায় ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে ওই দিন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গতকাল সোমবার ১১ আসামির খালাসের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ১৫ জুন আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় আপিলের রায়ে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সরকারসহ ছয়জনের ফাঁসির আদেশ বহাল এবং আটজনের যাবজ্জীবন বহাল রেখে রায় দেন আদালত। এছাড়াও আসামিদের ১১ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। খালাস পাওয়া ১১ আসামির মধ্যে সাতজনকে বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। খালাস পাওয়া ১১ আসামির মধ্যে সাতজনকে বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন- আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল (পলাতক), লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির (পলাতক), খোকন (পলাতক), দুলাল মিয়া, রাকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর ও মনির।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ৬ আসামি হলেন- নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান, কানা হাফিজ, সোহাগ, শহিদুল ইসলাম শিপু। যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আহমদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন আনু, বড় রতন, ছোট জাহাঙ্গীর, আব্দুস সালাম, মশিউর রহমান মিশু।

২০০৪ সালের ৭মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই মতিউর রহমান বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। মামলায় আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। পরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন।

আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ (গাজীপুর সদর-টঙ্গী) আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

মতামত