টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

অর্থ নয়, হারাম শরীফের সেবা করায় ব্রত শাহিনের

শহীদুল ইসলাম বাবর
মক্কা থেকে

bচট্টগ্রাম, ১৯ জুন (সিটিজি টাইমস)::অর্থের প্রয়োজনে জম্মভূমী বাংলাদেশ ছেড়ে সুদুর সৌদি আরব পাড়ি জমালেও এখন অর্থের চাইতে মসজিদুল হারামের (হারাম শরীফ) সেবা করাকেই ব্রত মনে করছেন মোহাম্মদ শাহিন (৩৫)। দীর্ঘ ১২ বৎসর থেকেই তিনি একটি কোম্পানীর তত্ত¡াবধানে হারাম শরীফের পরিছন্ন কর্মী হিসেবে কর্মরত আছে।

জানা যায়, শাহিনের বাড়ি রাজশাহীর আক্তারাই উপজেলার আক্কেলবারী এলাকায়। ঐ এলাকার আব্দুচ ছাত্তারের পুত্র শাহিন নিজের ভাগ্য অন্মেষনের জন্য অন্তত এক যগ আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। প্রথম পর্যায়ে সৌদি আরবের বিন লাদেন গ্রæপের শ্রমিক হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় কাজ করলেও গত ১০ বৎসর থেকেই কাজ করেন একই কোম্পানীর অধীনে হারাম শরীফে। প্রতিদিন আট ঘন্টার দায়িত্ব সময়ে হাতে ভ্রাম্যমান ডাস্টবিন হাতে নিয়ে হাজিদের হাতে ব্যবহৃত পানির বোতল, ওয়ানটাইম গ্যাস ও টিস্যু নিয়ে ঐ ডাস্টবিন ভর্তি করে নিদিষ্ট স্থানে পৌছে দেওয়ায় হচ্ছে তার কাজ। গত ১৮ জুন সকালে সাফা মারওয়া এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে শাহিন জানান, ২ ভাই ১ বোনের মধ্যে সে বড়। হতদরিদ্র সংসারে সচ্ছলতা আনয়নের জন্যই পাড়ি জমান সৌদি আরবে। এখন বিন লাদেন গ্রুপের তত্ত¡াবধানে হারাম শরীফে কাজ করে মাসে বাংলাদেশী টাকায় ২০ হাজার টাকায় আয় করে থাকেন। এর বাইরেও হাজিরা অনেক সময় খুশি হয়ে তাদেরকে টাকা দিয়ে থাকেন। অন্যান্য পেশার চাইতে বেতন কম সত্তেও কেন এটা করেন জানতে চাইলে শাহিন বলেন, অন্য পেশায় গেলে টাকা পাব টিক আছে। কিন্তু প্রতিদিন হারাম শরীফেতো আর নামাজ পড়তে পারবনা। বিভিন্ন দেশের হাজি সাহেবদের সেবা করতে পারবনা। এখারেন টাকা কম হলেও মনের প্রশান্তি বেশী। তার দেওয়া তথ্যমতে জানা যায়, বিন লাদেন গ্রুপে হচ্ছে হারাম শরীফের পরিছন্ন কাজের ঠিকাদার। এ লাদেন গ্রুপে অন্তত ৫০ হাজারেরও অধিক বাংলাদেশী কাজ করেন। সম্প্রতি বিন লাদেন গ্রুপ থেকে শমিক ছাটাইয়ের ঘটনায় সৃষ্টি উত্তেজনা এখন নেই বলে জানান তিনি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত