টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

চট্টগ্রাম, ১৫ জুন (সিটিজি টাইমস)::  আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক এমপি আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা নুরল ইসলাম সরকারসহ ছয় জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট।

এছাড়া আরো সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায়ে হাইকোর্ট ১৩ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।

বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের লেখা রায়ে একমত পোষণ করেছেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

রায় শুনতে হাইকোর্টে এসে এজলাসকক্ষে যান নিহত আহসান উল্লাহ মাস্টারের ছেলে জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। আর আদালত চত্বরে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী। আহসান উল্লাহ মাস্টার ও জাহিদ আহসান রাসেলের এলাকা থেকে আসেন তারা।

এর আগে গত ৮ জুন চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৫ জুন রায়ের এ দিন ধার্য করা হয়।

২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পরদিন আহসান উল্লাহ মাস্টারের ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আcvf ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এ মামলায় ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৮ অক্টোবর ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ জন এবং আসামিপক্ষে দু’জন সাক্ষ্য দেন।

এরপর বিচার শেষে ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল বিচারিক আদালত নুরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ২ জনকে খালাস দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন, ১৭ জন কারাগারে, বাকি ৯ জন পলাতক রয়েছেন।

পরে বিচারিক আদালতের রায়ের বিষয়ে হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিল হয়।

গত ২১ জানুয়ারি থেকে এ আপিল মামলার শুনানি শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরীন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মনজু নাজনিন।

আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ কয়েকজন আইনজীবী।

মতামত