টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ওয়াজ-তোয়াজ নয় টাইট দিতে হয় বাঙালিরে : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

চট্টগ্রাম, ১৪ জুন (সিটিজি টাইমস):: ছোলা-চিনির মতো কাপড় কেনার পাইকারি রশিদও দোকানে রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কাপড়ের মূল্য স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে মার্কেট সমিতির সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। কিন্তু এ মতবিনিময় সভায় প্রায় কাপড় মার্কেটের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা আসলেও সানমার ও মিমিসুপারসহ কয়েকটি অভিজাত মার্কেটের প্রতিনিধিরা আসেনি। আর এতেই ক্ষেপেছেন মেজবাহ উদ্দিন তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘বাঙালি এমন একটি জাতি যা ওয়াজ-তোয়াজ বুঝে না। তাদেরকে টাইট দিতে হয় এবং টাইটে রাখতে হয়।’

জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, হয়রানি করার জন্য নয়, আপনাদের মেসেজ দেওয়ার জন্য ডেকেছি। অধিক মুনাফা করলে বাজার মনিটরিং টিম অভিযান চালাবে। মীর গ্রুপের মতো কাউকে হাতকড়া পরাতে চাই না।

ছোলা, চিনি, সবজির বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি করে তিনি বলেন, বাজার মনিটরিং ও কঠোর অবস্থান না নিলে ছোলার দাম ১২০-১৪০ টাকা হতো। মিল থেকে ৪৬ টাকায় চিনি কিনে ৫৮ টাকা বিক্রি হচ্ছিল খাতুনগঞ্জে। এখন তারা ডিসি অফিস চেনে, ৫০ টাকায় চিনি বিক্রি করছে। কার কাছে কত চিনি বিক্রি করছে হিসাব দিয়ে যাচ্ছে।

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, কাপড় বা জুতোয় অধিক মুনাফা করলে সানমার হোক বা যে মার্কেট হোক, মিমি হোক বা অন্য কোন বড় মার্কেট হোক অভিযান থেকে কেউ বাদ পড়বে না।

কাপড় ব্যবসায়ীদের ড্রিলিং লাইসেন্স গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ লাইসেন্স না নিলে জেল জরিমানা হবে। মাত্র তিনজন এ লাইসেন্স নিয়েছেন।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ড. অনুপম সাহা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুর রশীদ, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, ক্যাবের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন, বিপণি বিতান ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ ছগীর, টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি খাইরুল ইসলাম ককসি, টেরিবাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইসমাইল, দোকান মালিক সমিতির সালেহ আহমদ সোলেমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত