টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চেয়ারম্যান হত্যার দুই আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

চট্টগ্রাম, ১৪ জুন (সিটিজি টাইমস):: দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে আজাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামি কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোর রাতে সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে বলে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) অশোক কুমার পাল বলেন।

নিহতদের মধ্যে সোহেল হোসেন (২৫) ওই উপজেলার ছাওয়ালপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। আর কুচকুড়ি গ্রামের মুনির হোসেনের (২৮) বাবার নাম লুৎফর রহমান। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তাদের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান আজাদ হত্যা ছা্ড়াও ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে সহকারী পুলিশ সুপার জানান।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ‘সন্ত্রাসীদের হাতে’ নিহত সদর উপজেলার ভাদসা ইউপির চেয়ারম্যান এ কে আজাদের বাড়িতে হামলা করতে ‘একদল সন্ত্রাসী’ গোপালপুর গ্রামের মাঠে জড়ো হচ্ছে খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে যায়।

‘এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের টহল দলের দিকে গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার জন্য পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে দুই সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলেই মারা যায়।’

সহকারী পুলিশ সুপার বলছেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর থানার ওসি ফরিদ হোসেনসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গত ৪ জুন রাতে সদর উপজেলার দুর্গাদহ বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে কোঁচকুঁড়ি গ্রামে বাড়ি ফেরার পথে একদল মুখোশধারী ভাদসা ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এ কে আজাদকে কুপিয়ে ও গুলি করে আহত করে।

আট দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান আজাদ চেয়ারম্যান।

তার বড় ভাই মুকুল মাস্টার জানান, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন আজাদ (৫৩)। ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত ভোটে জয়ী হয়ে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এ কে আজাদ রবিবার ভোর ৬টায় ঢাকার পপুলার হাসপাতালে মারা যান।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত