টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ইউপি নির্বাচন, মিরসরাইয়ের ৬ ইউনিয়নের ৩৫ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ০২ জুন (সিটিজি টাইমস):  আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠিতব্য মিরসরাইয়ের ৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৩৫টি কেন্দ্রের সবগুলোকে ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। কয়েকটি ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সদস্য প্রার্থীদের পোস্টার ছেঁড়া, আগুন লাগানো, কর্মী সমর্থকদের উপর আওয়ামীলগ সমর্থিত প্রার্থীদের হামলার অভিযোগ দেওয়া হয় রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে। এছাড়াও বেশীর ভাগ ইউনিয়নে এক ওয়ার্ডে আ’লীগের সদস্য প্রার্থী একাধিক থাকায় নিজ দলের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। সম্প্রতি রির্টানিং কর্মকর্তারা কেন্দ্রে পরিদর্শন করে সবগুলো কেন্দ্রকে ঝুকিপূর্ণ হিসেবে চি‎িহ্ণত করেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, মিঠানালা ইউনিয়নে ৩টি কেন্দ্র, মঘাদিয়াতে ৫টি খৈয়াছড়া ইউনিয়নে ৯টি, মায়ানী ইউনিয়নে ৯টি ও ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের সবকটি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে।

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ করেন, ৪জুন নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামীলীগ কেন্দ্র দখলে নেয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তারা বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসাতে বাঁধা প্রদান করবে। ইতমধ্যে বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর দফায় দফায় হামলা অব্যাহত রখেছে। ৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ন ইউনিয়ন হচ্ছে ১৫ নম্বর ওয়াহেদপুর। বিএনপির প্রার্থী কোন ব্যনার পোষ্টা টাঙাতে পারেনি। এই ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বর্তমান চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন প্রার্থী হওয়ায় ভোট ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছে আওয়ামীলীগ। আমরা প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করবো সাধারণ ভোটার যেন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে এজন্য ব্যবস্থা গ্রহন করতে।

তবে বিএনপির এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন একটি দল। তারা জনগণের কাছে যাওয়ার মতন মুখ নেই, তাই যেতে পারছেন না। আর এ জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের ওপর অযথা দায় চাপাচ্ছেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তোফায়েল হোসেন বলেন, ভোট গ্রহনের জন্য সকল প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্রেগুলোর তালিকা করে সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।
প্রসঙ্গত আগামী ৪ জুন ষষ্ঠ ধাপে মিরসরাই উপজেলার মোট ৭টি ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ১ নম্বর করেরহাট ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী না থাকায় চেয়ারম্যান পদে এবং সবকটি ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন। তাই এখানে ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা হবে না। বর্তমানে ৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬জন, সাধারণ সদস্য পদে ৭১জন এবং সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডে ২৪ প্রার্থী রয়েছেন। ইতমধ্যে বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৪জন চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ৪৭জন সদস্য পদপ্রার্থী।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত