টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে আ.লীগ ৩৭ , বিএনপি ৪, বিদ্রোহী ৩

চট্টগ্রাম, ২৮  মে (সিটিজি টাইমস):: পঞ্চম ধাপে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশের ৪৭ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাতে পাওয়া সর্বশেষ ফলাফলে দেখা গেছে, রাঙ্গুনিয়ার ১২ ইউপির সবকটি এবং চন্দনাইশের ৭ ইউপির সবকটিতেই জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। পটিয়ার ২১ ইউপির আওয়ামীলীগ ১২, বিদ্রোহী ৩ ও বিএনপি ৩ ইউপিতে জয় পেয়েছে। এছাড়া পটিয়ায় ৩ ইউপির নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। বোয়ালখালীর ৬টিতে আওয়ামী লীগ ও ১টিতে বিএনপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছে।

রাঙ্গুনিয়া
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি জানিয়েছেন, রাঙ্গুনিয়ার ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে গতকাল ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলে। ৫ম ধাপের এই নির্বাচনে রাঙ্গুনিয়ার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ায় গতকাল এসব ইউনিয়নে শুধুমাত্র সংরক্ষিত মহিলা ও সাধারণ ওয়ার্ডের মেম্বার পদে ভোট গ্রহণ করা হয়। বাকি ৮ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। গতকাল রাতে রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সমন্বয়কারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম মজুমদার বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে ২নং হোছনাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মির্জা সেকান্দর হোসেন নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৫ শত ৯৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে মো. সেকান্দর আলী পেয়েছেন ১ হাজার ৫ শত ১৯ ভোট। ৫নং পারুয়া ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী জাহেদুর রহমান তালুকদার নৌকা প্রতীকে ৬ হাজার ১ শত ২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইব্রাহীম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৫ শত ৯০ ভোট। ৬নং পোমরা ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী চৌধুরী কুতুব উদ্দিন হারুনী নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ৪ শত ৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬ শত ৯৭ ভোট। ৭নং বেতাগী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুর কুতুবুল আলম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৮ হাজার ৭ শত ৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কাজী নাজিম উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ১ শত ৬৩ ভোট। ৮নং সরফভাটা ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী নৌকা প্রতীকে ১০ হাজার ১ শত ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুল ইসলাম সরফি আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ২ শত ৯৭ ভোট। ১৩নং ইসলামপুর ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৫ শত ৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সিরাজুদ্দৌল্লাহ দুলাল আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ ভোট। ১৪নং দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী আহমদ ছৈয়দ তালুকদার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৭ হাজার ২ শত ৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল হক মিয়া আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬ শত ৫৪ ভোট। ১৫নং লালানগর ইউনিয়নে আ.লীগের প্রার্থী মীর তৌহিদুল ইসলাম কাঞ্চন নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯ শত ১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৩ শত ৭৪ ভোট। গতকাল রাত ১০টায় উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে ১২ ইউপি নির্বাচনের ৬ জন রিটার্নিং কর্মকর্তারা নির্বাচিত চেয়ারম্যান মেম্বারদের ফলাফল পৃথকভাবে ঘোষণা করেন।

পটিয়া
পটিয়া প্রতিনিধি জানান, পটিয়া উপজেলার ২১ ইউপির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। জুলধা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রফিক আহমদ (আনারস) ৪৫৩৯ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নুরুল হক (নৌকা) পেয়েছেন ৩৩৩৮। চরলক্ষ্যা ইউনিয়নে মোহাম্মদ আলী (নৌকা) ৯৩২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইব্রাহিম (ধান) পেয়েছেন ৫৮৯১ ভোট। চরপাথরঘাটা হাজী ছাবের আহমদ (নৌকা) ৫২৭১ ভোট, মাঈনুদ্দিন (ধানের শীষ) ৪৭৩১, দুই কেন্দ্র স্থগিত হওয়ায় ফলাফল ঘোষণা করা হয় নি। শিকলবাহায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম (আনারস) ১২৪৭৮ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম বকুল (নৌকা) ৬৮৫০ ভোট পেয়েছেন। বড়উঠান ইউনিয়নে দিদারুল আলম (নৌকা) ৮৪৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল মান্নান (আনারস) ৫৩৬২ ভোট। জিরি ইউনিয়নে আবুল কালাম ভোলা (নৌকা) ১১১৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল হোসেন বাবুল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৬৪০০ ভোট। কুসুমপুরা ইউনিয়নে ইব্রাহিম বাচ্চু (নৌকা) ১১৫৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেজাউল করিম নেছার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩০৫১ ভোট। আশিয়া ইউনিয়নে মোহাম্মদ হাশেম (নৌকা) ৪৩৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোজাম্মেল হক (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৫২০ ভোট। কাশিয়াইশ ইউনিয়নে আবুল কাশেম (আনারস) ৩৬৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামালুস সাত্তার (নৌকা) পেয়েছেন ২৪২০ ভোট। বড়লিয়া ইউনিয়নে শাহিনুর ইসলাম শানু (নৌকা) ৪৮৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কায়সার আলম রনি (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৭১১ ভোট। জঙ্গলখাইন গাজী ইদ্রিস (নৌকা) ২৯০৬ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৌহিদুল আলম (আনারস) ১০৯৫ ভোট। ওই ইউনিয়নে একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত হওয়ায় ফলাফলে কাউকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় নি। হাবিলাসদ্বীপে শফিকুল ইসলাম (ধানের শীষ) ৬৫২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফৌজুল কবির কুমার (নৌকা) পেয়েছেন ২৮২৪ ভোট। ভাটিখাইন বখতিয়ার উদ্দিন (নৌকা) ৩২২০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিজুয়ানুর হক আলমদার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১১১৭ ভোট। কোলাগাঁও আহমদ নুর (নৌকা) ৭০০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সামশুল আলম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৪১৩৯ ভোট। খরনা মাহাবুবুর রহমান (নৌকা) ৩৯৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মফজল আহমদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ২৯৭৮ভোট। ধলঘাট রনধীর ঘোষ টুটুল (নৌকা) ৩৫৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সেকান্দর (ঘোড়া) পেয়েছেন ২৯৩৭ ভোট। কেলিশহর সরোজ কান্তি সেন নান্টু (নৌকা) ৬৮৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জসীম উদ্দিন মাস্টার (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩৭৯৫ ভোট। হাইদগাঁও ইউনুছ মিয়া (ধানের শীষ) ৩৬৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো: মহিউদ্দিন (নৌকা) পেয়েছেন ৩৪১২ ভোট। কচুয়াই ইনজামুল হক জসীম (নৌকা) ৬৫৬৪ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খলিলুর রহমান বাবু (ধানের শীষ) ৩৭৯৩। কিন্তু একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত থাকায় ওই কেন্দ্রের ফলাফলে কাউকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় নি। ছনহরা ইউনিয়নে আবদুল রশিদ দৌলতি (ধানের শীষ) ৪৫৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কামাল উদ্দিন (নৌকা) পেয়েছেন ৩৫০৭ ভোট।

চন্দনাইশ
চন্দনাইশ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চন্দনাইশ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়া চেয়ারম্যানরা হলেন ১নং কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নে মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। ২নং জোয়ারা ইউনিয়নে আমিন আহমেদ চৌধুরী রোকন আগেই বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ৪নং বরকল ইউনিয়নে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান (বর্তমান চেয়ারম্যান)। তিনি পেয়েছেন ৪ হাজার ২৫৮ ভোট। ৫নং বরমা ইউনিয়নে মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম (বর্তমান চেয়ারম্যান)। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৩৪৬ ভোট। ৬নং বৈলতলী ইউনিয়নে মোহাম্মদ আনোয়ারুল মোস্তফা চৌধুরী দুলাল। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৫ ভোট। ৮নং হাশিমপুর ইউনিয়নে আলমগীরুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৭২৬ ভোট। ১০নং ধোপাছড়ি ইউনিয়নে মোহাম্মদ মোরশেদুল আলম। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৫১১ ভোট। উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি ইউনিয়নে গতকাল শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও পৌরসভা ঘোষণা সংক্রান্ত জটিলতায় দু’টি ইউনিয়ন দোহাজারী এবং সাতবাড়িয়ায় নির্বাচনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কোন নির্বাচনী তফশিল প্রকাশ না করায় এ দু’টি ইউনিয়নে গতকাল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

বোয়ালখালী
বোয়ালখালী প্রতিনিধি জানান, এখানে ৭টি ইউপিতে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামীলীগ ৬ বিএনপি ১ আসনে জয়লাভ করেছে। এর মধ্যে শাকপুরা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ প্রার্থী আবদুল মান্নান মোনাফ নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ২২১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শওকত আলী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৩৮।

সারোয়াতলী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বেলাল হোসেন নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ৮৭১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুর মোহাম্মদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৭২৫।

পোপাদিয়া ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী এস.এম জসিম নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ৮০০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাবেদ মেহিদী হাসান ধানের শীষ প্রতীকে সুজন পেয়েছেন ১ হাজার ৮৫৪ ও ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী এস.এম মোদ্দাচ্ছের মোমবাতি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৪৪৪।

চরণদ্বীপ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী শামসুল আলম নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মজিবুত উল্লাহ মজু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ২৩২। তবে ওই ইউনিয়নের ১ কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ওই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২হাজার ৭৫।

শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মোকারম নৌকা প্রতীকে ৮ হাজার ৮৭৪ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ইকবাল ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ৪০২।

আমুচিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কাজল দে নৌকা প্রতীকে ৩হাজার ১২৬ ভোট জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অজিত বিশ্বাস আনারস প্রতীকে ২হাজার ৪২২ ভোট পেয়েছেন। আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুল হক মান্নান ধানের শীষ প্রতীকে ৪ হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৮১৫। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ইলিয়াছ কামাল রিসাত এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

মতামত