টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ভুতুড়ে বিলের হয়রানিতে স্বর্বসান্ত হচ্ছে সীতাকুণ্ডের বিদ্যুৎ গ্রাহকরা

মোঃ ইমরান হোসেন
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ২৮  মে (সিটিজি টাইমস):: বকেয়া বিলের নামে ভুতুড়ে বিলের ভারে হয়রানিতে পড়েছে সীতাকুণ্ডের বিদ্যুৎ বিভাগের হাজার হাজার গ্রহক। সে সাথে কোনো প্রকারের নিয়ম-কানুন বালায় না রেখে যেনতেন বিল করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায় বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিভাগের বিরুদ্ধে।

খোজ নিয়ে জানাযায়, বিল বিতরনে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ অফিসে নিয়োজিত রয়েছে ১২ জন ঠিকাদার। গ্রাহকের মিটারের রিডিং নির্ধারন ও বিল বিতরন ঠিকাদারের কর্মীদের একমাত্র কাজ। অথচ বিল বিতরনকারী কাজে থাকলে ও নিজেদের সরকারী র্কমচারী বলে প্রকাশ করেন ঠিকাদারের কর্মীরা। তাদের ভাবটা রয়েছে সরকারী লোকের মত। আর এসব কর্মীরা অফিসের অসাধু কিছু কর্মকর্তাদের যোগ সাজশে ধরাকে সরাজ্ঞান করে চলছে। বিল ও মিটার সচল থাকলে মিটার রিডিং না দেখে অদৃশ্য শক্তিতে বিল তৈরী করে চাপিয়ে দিচ্ছে গ্রাহকের ঘাড়েঁ। এভাবে দিনের দিন বিদ্যু অফিসের নানা রকমের ফাঁেদ পড়ে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে জানান বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।

বিদ্যুৎ গ্রাহক আবুল বশর অভিযোগ করে বলেন,‘ মিটারে রিডিং রয়েছে এক রকম অথচ বিল করা হয়েছে আরেক রকম। রিডিং পাওনার নাম করে ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে অধিক বিল বোঝা। আবার বন্ধ থাকা অচল একটি মিটারকে সচল দেখিয়ে বড় অংকের বিলের কপি ধরিয়ে মামলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে রামু নামের এক ঠিকাদার।

একইভাবে সচল মিটারকে অচল দেখিয়ে গত ৬ মাস যাবৎ টানতে হয় ভ’তুড়ে বিলের ঘানি। কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়ায় প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে বিল ধরিয়ে দিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগী আরেক গ্রাহক। অথচ মিটার পুরাতন হলেও মিটার নষ্ট দেখিয়ে অধিক বিল করার নিয়ম নেই বলে জানান বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র এক কর্মকর্তা। এরপরও প্রতিনিয়ত ভুতুড়ে বিলে গ্রাহক হয়রানি হতে চললেও নিশ্চুপ রয়েছে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে এসব বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে কোনো অভিযোগ হলে বিদ্যুৎ লাইন কর্তনের হুমকি প্রদান করে সহাকারী ইঞ্জিয়ারসহ অফিস কর্তারা। কাজে যোগদানের পর থেকে এ ধরনের একাধিক অভিযোগ উঠে এক সহাকারী ইঞ্জিয়ারের বিরুদ্ধে। তবে অদৃশ্য শক্তির বদৌলতে এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া কারো পক্ষে সম্ভব না বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ কর্মকর্তার দাপট না-কি সর্বজন সীকৃত রয়েছে।

এ বিষয়ে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রসনজিৎ কুমার নাথ বলেন,‘, মিটার নষ্ট হলে প্রথমত পরিবর্তনের নির্দেশ দিতে হবে, তারপর বিদ্যুৎ আইন মোতাবেক তা বাজেয়াপ্ত করা হয়ে থাকে। এরপরও ইচ্ছেমত বিল ধরিয়ে দেয়ার কোনা অভিযোগ পাওয়া গেলে কর্তব্যরত লোকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত