টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ক্ষতবিক্ষত উপকূল

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

ছবিঃ অনুপম বড়ুয়া

চট্টগ্রাম, ২২ মে (সিটিজি টাইমস):: চট্টগ্রাম উপকূলে গতকাল শনিবার দুপুরে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’। এর তাণ্ডবে বন্দরনগরীর বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে সৃষ্ট দুর্যোগে সাত জেলায় প্রাণহানি হয়েছে ২৪ জনের। এর মধ্যে চট্টগ্রামেই মারা গেছেন ১২ জন। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। কক্সবাজার, ভোলা, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনীসহ উপকূলীয় জেলাগুলোয় প্রাণহানির পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার দাপট শুরু হয়েছিল শনিবার ভোররাত থেকেই; সে সঙ্গে বৃষ্টি। দুপুর দেড়টার দিকে আঘাত হানার পর ঘূর্ণিঝড়টি বিকেল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করে। এর পর ভারি বৃষ্টিপাত হয় আরও কয়েক ঘণ্টা।

এরই মধ্যে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে মা-ছেলেসহ ১২ জন, নোয়াখালীর হাতিয়ায় জোয়ারে ভেসে মা-মেয়েসহ তিনজন, ভোলায় ঝড়ে ঘরচাপা পড়ে তিনজন, কক্সবাজারে দেয়ালচাপা পড়ে ও নৌকা থেকে পড়ে তিনজন, ফেনীর সোনাগাজীতে জোয়ারের পানিতে ডুবে এক রাখাল, পটুয়াখালীতে ঘরচাপায় বৃদ্ধ ও লক্ষ্মীপুরে গাছ উপড়ে একজনের মৃত্যু হয়।

প্রবল বৃষ্টিতে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতি ভয়াবহ রূপ না নিলেও ক্ষতবিক্ষত হয়েছে উপকূলীয় এলাকা। জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে ১৪ জেলার উপকূলবর্তী গ্রাম। বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। ফসলের ক্ষেত তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখো মানুষ।

রোয়ানুতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। উপকূলে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছিল। ভারি বৃষ্টিতে ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পায় উপকূলবাসী। তার পরও অন্তত পাঁচ লাখ

মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে উপকূলের বিভিন্ন এলাকায়। গাছ উপড়ে ওই সব স্থানে সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে। দ্বীপজেলা ভোলার সঙ্গে সারাদেশের যোগাযোগ এক প্রকার বিচ্ছিন্ন। হাতিয়া, সন্দ্বীপ, কুতুবদিয়া ও মহেশখালী দ্বীপ মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দর। সারাদেশে আজকের এইচএসসি পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। চট্টগ্রামের দুটি ইপিজেডে গতকাল ছুটি ঘোষণা করা হয়। তবে একদিন বন্ধ থাকার পর গতকাল সন্ধ্যায় অভ্যন্তরীণ নৌ ও ফেরি চলাচল শুরু হয়।

গতকাল রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, বৃষ্টি ঝরিয়ে দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে রোয়ানু। দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। নিম্নচাপটি ফেনী, সীতাকুণ্ড ও খাগড়াছড়ি এবং ভারতের ত্রিপুরায় অবস্থান করছে। আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যাবে। গতকাল রোয়ানু আঘাত হানার সময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৯২ কিলোমিটার।

আবহাওয়াবিদ শামীম হাসান ভূঁইয়া জানান, গতকাল চট্টগ্রামে ৭৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় খেপুপাড়ায় ২৫২ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ৬৯ মিলিমিটার। আজ বৃষ্টি কমার সম্ভাবনা থাকলেও কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জানান, আক্রান্ত উপকূলবাসীকে ত্রাণ-সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে তদারক করছেন। আগাম ব্যবস্থা নেওয়ায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

চট্টগ্রাম :ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গতকাল বন্ধ ছিল বন্দরের সব কার্যক্রম। প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে পড়ে গাছপালা, বাড়িঘরের সীমানাপ্রাচীর-দেয়াল, বিদ্যুতের খুঁটি। উত্তাল সাগরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চারটি জাহাজ। তবে ঘূর্ণিঝড় বিকেলে চট্টগ্রাম অতিক্রম করার পরই স্বাভাবিক হতে থাকে পরিবেশ। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাসায় ফিরতে শুরু করে উপকূলবাসী।

বাঁশখালী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুজ্জামান বলেন, ‘উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নে চারজন এবং ছনুয়া ইউনিয়নে একজন মারা গেছেন। এ ছাড়া জোয়ারে ভেসে যাওয়া আরও দু’জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।’ নিহতরা হলেন বাঁশখালীর খানখানাবাদ ইউনিয়নের তাহেরা বেগম (৫০), আবু সিদ্দীক (৬৫), জালাল আহমদ (৩), হোসেন আহমদ (৭), ছনুয়া ইউনিয়নের বুলু আক্তার (৬০)। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ছলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল ছলিমপুরের কালাপানিয়া লোকমানের ঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসে মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ রফিকের স্ত্রী কাজল বেগম ও ছেলে বেলাল হোসেন বাবু। চট্টগ্রাম শহরের পাঁচলাইশ থানাধীন চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্সের পেছনে ঝড়ের সময় আম কুড়াতে গিয়ে পাশের নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে নিহত হয় ১১ বছরের শিশু রাকিব।

এ ছাড়া নগরীর হালিশহরে দুই ভাই মারা গেছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, ‘দুই ভাইয়ের একজনের লাশ পেলেও আরেকজনের লাশ পাওয়া যায়নি। তাদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।’

চট্টগ্রামের উপকূলীয় এলাকা বাঁশখালী, আনোয়ারা, সন্দ্বীপ উপজেলার নিম্নাঞ্চল জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। বাঁশখালীর খানখানাবাদ, গণ্ডামারা, সরল, ছনুয়াসহ উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করে। সন্দ্বীপের ছোঁয়াখালী ঘাট, রহমতপুরসহ বিভিন্ন এলাকা চার থেকে পাঁচ ফুট জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া আনোয়ারা ও সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় এলাকাগুলোয়ও জোয়ারের পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) জাফর আলম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু মোকাবেলায় কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থানরত সব লাইটারেজ জাহাজকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। বন্দরের সব ধরনের পণ্য ওঠানামা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।’ গতকাল সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের জরুরি সভায় জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

নোয়াখালী :ঘূর্ণিঝড়ে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে হাতিয়া উপজেলার অর্ধশত গ্রাম ডুবে গেছে। ভেঙে পড়েছে গাছপালা। জোয়ারে ভেসে গিয়ে উপজেলার চানন্দি ইউনিয়নের চর আদর্শ গ্রামের মিনার বেগম (৩৫), তার মেয়ে মরিয়ম নেছা (১০) ও জাহাজমারা ইউনিয়নের চরহেয়ার গ্রামের ছালাউদ্দিন বেপারীর স্ত্রী মাহফুজা বেগমের (৪৭) মৃত্যু হয়েছে।

নিঝুম দ্বীপের ইউপি চেয়ারম্যান মো. মেহরাজ উদ্দিন জানান, জলোচ্ছ্বাসে ইউনিয়নের সবক’টি গ্রাম পানির নিচে তলিয়ে যায়। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন দ্বীপের ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

ভোলা :ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে তজুমদ্দিন উপজেলা সদরসহ প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। তজুমদ্দিন বাজারের ২০০ দোকান ঘরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় চার শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার স্টেডিয়ামের পাশের বাসিন্দা মো. মফিজের ১২ বছরের ছেলে আকরাম ও উত্তরবাজার এলাকার গৃহিণী রেখা বেগম ঘরচাপা পড়ে মারা গেছেন। গতকাল বিকেলে দৌলতখানের দক্ষিণ জয়নগর গ্রামে ঘরচাপা পড়ে মারা গেছেন জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রেণু বেগম। গতকাল বেলা ১১টায় ঝড়ের কবলে পড়ে ভোলার ইলিশার মেঘনা নদীতে বালুভর্তি দুটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। ওই জাহাজের ৪ মাঝি-মাল্লা নিখোঁজ রয়েছেন।

লালমোহনের লর্ড হার্ডিঞ্জ ও ধলিগৌর নগর ইউনিয়নে মেঘনা পাড়ের বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়ে দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার :ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে সদরের কুতুবদিয়া পাড়া, নাজিরার টেক, নুনিয়াছড়াসহ মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে পানের বরজসহ ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন জানান, কুতুবদিয়া উপজেলায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে আলী আকবর ডেইল এলাকায় নৌকা থেকে পড়ে মারা গেছেন মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ফকির আলম (৫০)। ঝড়ে দেয়ালচাপায় মারা গেছেন কৈয়ারবিল এলাকায় এ কে ফজলুল হক (৫৪)। এ ছাড়া পানিতে ডুবে উত্তর ধুরং এলাকার আবদুর রহমানের ছেলে মো. ইকবালের (২৫) মৃত্যু হয়েছে।

ফেনী :ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু দুপুরে ফেনীর সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানলে সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়ার জেলেপাড়া এলাকায় জোয়ারের পানিতে ভেসে নূর আলম নামে এক রাখালের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া সোনাগাজীর তিনটি ইউনিয়নের অন্তত ১০টি গ্রামের ঘরবাড়ি জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

পটুয়াখালী :ঝড়ো হাওয়ায় উপকূলীয় উপজেলাগুলোর কয়েকশ’ কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পানের বরজ ও সবজি ক্ষেত। বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ লাইন। শুক্রবার রাত থেকে লেবুখালী ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার ভোরে দশমিনার উত্তর লক্ষ্মীপুর গ্রামে ঘরচাপায় নয়া বিবি (৫২) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।

জোয়ারের পানির তোড়ে গলাচিপার বন্যাতলী এলাকায় পাউবোর ১০০ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। আলীপুর ইউনিয়নের কালীবাড়ি ও মাদ্রাসা বেড়িবাঁধ ভেঙে রামনাবাদ নদীর পানিতে প্লাবিত হয়েছে ৫টি গ্রাম। বাউফলে তেঁতুলিয়া নদীর ঢেউয়ের তোড়ে মমিনপুর, তালতলি, বগী এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পাকা সড়ক বিধ্বস্ত হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর :দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে পৌর এলাকার জেবি রোড, মিয়া আবু তাহের সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। মেঘনা নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে তিন ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল সকালে সদর উপজেলার উত্তর তেওয়ারীগঞ্জ এলাকায় ঝড়ে গাছ পড়ে বসির উল্যার ছেলে আনার উল্যাহর মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা :ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভোর থেকেই দমকা হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বর্ষণ শুরু হয়। বেলা ১১টার দিকে তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের কামিনিবাসিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধের প্রায় ২০০ গজ এলাকায় ফাটল দেখা দেয়। দুপুরের জোয়ারে বাঁধ ও পার্শ্ববর্তী সড়কের প্রায় অর্ধেক নদীতে ধসে যায়। শুক্রবার বিকেল থেকেই জাহাজে পণ্য ওঠানামার কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানান মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।

বরিশাল :জেলার বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। নগরী-সংলগ্ন কীর্তনখোলা তীরবর্তী রসুলপুর চর, স্টেডিয়াম বস্তি, নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর কাকলী সিনেমা হলের মোড়, বরিশাল কলেজ এলাকা, মুন্সীর গ্রেজ, নবগ্রামসহ অসংখ্য এলাকা বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে।

এ ছাড়া বরগুনা, পিরোজপুর, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, ঝালকাঠি ও বাগেরহাটে গতকাল ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রচুর বৃষ্টি হয়। কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য