টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বন্দরনগরীতে বাঁধ কাটার চেষ্টা : সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ১৫

চট্টগ্রাম, ২১ মে (সিটিজি টাইমস):: পানিতে প্লাবিত হবার পর চট্টগ্রাম বন্দরের তৈরি মহেশখাল বাঁধ কাটার চেষ্টা করেছে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক হাজার মানুষ। এ সময় বাধা দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে বন্দর থানার ওসি এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিমসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুর ২টার দিকে নগরীর বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পাশে এ সংঘর্ষ হয়। ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর মহেশখালে বাঁধ নির্মাণ করে। এতে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকা জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পেলেও মহেশখালের বিপরীতের জনপদগুলো জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে।

শনিবার দুপুরে রোয়ানু আঘাত হানার পর মহেশখাল বাঁধের বিপরীতে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। নগরীর পোর্ট পুরাতন মার্কেট, এছাক ব্রাদার্স কন্টেইনার ইয়ার্ড, আদর্শপাড়া, দিঘীরপাড়া, মুন্সীপাড়া, এক নম্বর সাইটপাড়া, নিশ্চিন্তাপাড়া, ধোপপুল, মাইজপাড়া, ঈশান মিস্ত্রীরহাট, পুরাতন ডাকঘর, হাজী আব্দুল মালুম বাড়ি এলাকার কোথাও কোমরসমান পানি আবার কোথাও হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। এসব এলাকার কয়েক হাজার বাসিন্দার ঘরে পানি উঠে যায়।

বন্দর থানার ওসি এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিম বলেন, জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে জনতার মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে মহেশখাল বাঁধ কাটার জন্য আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এ সময় ৩০ থেকে ৩৫ রাউন্ড শটগানের গুলি এবং চার রাউন্ড টিয়ারশেল ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বড় ইটের আঘাতে ওসি এ কে এম মহিউদ্দিন সেলিমের ডান হাত ভেঙে গেছে। এ ছাড়া এলাকাবাসীর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

মতামত