টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ঘূর্ণিঝড়: বড়ল বিপদ সংকেত; চট্টগ্রামে ৭, কক্সবাজারে ৬

চট্টগ্রাম, ২০ মে (সিটিজি টাইমস):: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ উপকূলের দিকে ধেঁয়ে আসছে।

এর আগে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৪ নম্বর সতর্কতা জারি করা হলেও আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার দুপুর থেকে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদসংকেত, কক্সবাজারে ৬ নম্বর, খুলনা ও মংলা সমুদ্রবন্দরে ৫ নম্বর বিপদসংকেত জারি করেছে।

চট্টগ্রাম বন্ধর চ্যানেলের লাইটাররেজ জাহাজগুলোকে রাত ৮টার মধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালীর অভ্যন্তরীণ রুটে নৌ চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন জানান, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের মাত্রা একই। ঝড় কোন দিক দিয়ে যাবে তার ভিত্তিতে নম্বর আলাদা করা হয়।

তিনি বলেন, বিপদ সংকেতের মানে হচ্ছে, বন্দর ছোট বা মাঝারি তীব্রতার এক সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়েছে। ঝড়ে সময় বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার থাকবে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, শুক্রবার বেলা ১২টায় ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৯৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

সে সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়োহাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছিল।

এই ঝড় আরো উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার বিকাল বা সন্ধ্যা নাগাদ চট্টগ্রাম-নোয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

মতামত