টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রাম বন্দরের বহি:নোঙ্গরে পণ্য খালাস বন্ধ

চট্টগ্রাম, ২০ মে (সিটিজি টাইমস):: ঘূর্ণিঝড় রোয়ানো ধেয়ে আসার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দরের বহি: নোঙ্গরে অবস্থানকারী বড় জাহাজ থেকে পন্য খালাস বন্ধ রেখেছে লাইটারেজ জাহাজ। মূলত: বৃহস্পতিবার বিকালের শিফট থেকে লাইটারেজ জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে জাহাজ মালিকরা।

লাইটারেজ জাহাজ পরিচালনাকারী সংগঠন ওয়াটার টান্সপোর্টেশান কো- অঅডিনেশন সেলের নির্বাহি পরিচালক মাহবুবুল আলম জানিয়েছেন, “সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠায় ছোট জাহাজ চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, যার কারণে পন্য খালাসের জন্য লা্ইটারেজ জাহাজ বন্দরের বহি: নোঙ্গরে যাচ্ছেনা।”

পণ্য খালাসের জন্য লাইটারেজ জাহাজের পূর্বের বুকিং থাকলেও সেগুলো বাতিল করা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অথবা সমুদ্র কিছুটা শান্ত হলে আবারো বহি: নোঙ্গর থেকে পণ্য খালাস শুরু হবে. উল্রেখ করেন তিনি।

মাজবুবুল আলম আরো জানান, সমুদ্র উত্তাল থাকায় শুক্রবারও কোন লাইটারেজ জাহাজ পণ্য খালাসের জন্য বহি: নোঙ্গরে যায়নি।

শুক্রবার বন্দরের বহি;নোঙ্গরে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় আছে ৭১টি জাহাজ, যার মধ্যে ২০টি হচ্ছে ভোজ্য তেল ও ভোগ্য পণ্যবাহি।চট্টগ্রাম বন্দরে ৮০শতাংশ পণ্যই বহি: নোঙ্গরে খালাস হয়।

এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, চার নম্বর হুশিঁয়ারী সংকেতে সাধারনত জাহাজ চলাচল বন্ধ করা হয়না, সেই কারণে সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল অব্যাহত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক প্রশাসন জাফর আলম বলেছেন, নিয়ম অনুযায়ী জাহাজ চলাচল বন্ধের এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি, তবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় মালিকরা লাইটারেজ জাহাজ চলাচল বন্ধ রেখেছে।”

“পরিস্থিতি মূল্যায়ন করার জন্য বন্দরের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি বৈঠক করেছে, যাতে সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল অব্যাহর রাখার সিদ্ধান্ত হয় বলেও জানান তিনি।

এদিকে, শুক্রবার সকালের জোয়ারে বন্দরে ৬টি জাহাজ প্রবেশ করেছে, অন্যদিকে আটটি জাহাজ বন্দর ত্যাগ করেছে বলে বন্দরের রেডিও কন্ট্রোল সূত্রে জানাগেছে।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের বিশেষ বুলেটিনে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে জারি করা ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সঙ্কেত বহাল রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি কিছুটা সরে এসে মধ্যরাতে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছিল বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়।

এ সময় ঘূর্ণিঝড়টির অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৭০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ১১৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে।

মতামত