টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘সরকার হন্যে হয়ে আইএস খুঁজছে’

sorastrচট্টগ্রাম, ০৬ মে (সিটিজি টাইমস):: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ব নেই। কারা আইএস, কোথায় আইএস আমরা হন্যে হয়ে খুঁজছি।’

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে “সন্ত্রাস দমন ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা’ শীর্ষক স্মরণ সভায় একথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপির ১২তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি স্মৃতি পরিষদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটলে একটি সাইট থেকে বলা হয় এটি আইএস ঘটিয়েছে। কিন্তু সরকারের নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো হন্যে হয়ে আইএস খুঁজছে।

বিএনপি-জামায়াতের সমালোচনা করে আসাদুজ্জামান খান বলেন, এদেশে তাদের জন্মই হয়েছে হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে। মানুষকে পুড়িয়ে মারা, খুন করা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই।

সমাজের উন্নয়নের কথা যারা বলেন তাদেরই খুন করা হয়। আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় আহসান উল্লাহ মাস্টার, শাহ এসএম কিবরিয়াসহ নেতাদের খুন করা হয়। সে সময় আমরা শুধু খুনই না, লুটতরাজও দেখেছি।

তিনি বলেন, আর বর্তমান সময়ে যখন এ অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে তখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। কিলিং মিশন শুরু হয়েছে।

দেশের বর্তমান অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস দমনে জিরো টলারেন্স সরকার। যেকোনো উপায়ে দেশ থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করা হবে। আর এজন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, নিজামীর ফাঁসি আইন অনুযায়ী হবে। আগে যেভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর করা হয়েছে সেভাবেই নিজামীর ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে।

আনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, এদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যোগ্যতা ও সফলতার সঙ্গে সব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এদেশের মানুষের জন্য, দেশের জন্য যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের হত্যাকারীরা কেউ রেহাই পাবে না বলে আমরা আশা করি।

বঙ্গবন্ধুর খুনীদের, আহসান উল্লাহ মাস্টারের হত্যাকারীদের, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে এনে তাদের যথাযথ বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যদিয়ে এদেশে সন্ত্রাসের শুরু। সেই সময় এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেত না। সেই সময়কার সরকার হত্যাকাণ্ডের বিচার তো করেনি বরং তাদের পুরস্কৃত করেছে।

অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ছিলেন, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আতাউর রহমানসহ প্রমূখ।

মতামত