টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সাতকানিয়ার ১৭ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী তালিকা চুড়ান্ত

শহীদুল ইসলাম বাবর
দক্ষিণ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ০৪ মে (সিটিজি টাইমস)::  ৬ষ্ট ধাপে আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠিতব্য দক্ষিন চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দীর্ঘ দিন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বাইরে থাকা দল বিএনপি তাদের প্রার্থীদের নাম চুড়ান্ত করেছে। চুড়ান্ত তালিকায় স্থান পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই নতুন প্রার্থী বলে জানা গেছে। অতিতের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির সমর্থনে সাতকানিয়ার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও এভারের নির্বাচনে দেখা দিয়েছে প্রার্থী সল্পতা। পুরাতন কোন চেয়ারম্যানই বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করতে আগ্রহী নয়। বিএনপি মনা অধিকাংশ চেয়ারম্যান ভোটে ব্যাপক কারচুপি, মামলা হামলার আশংকায় নির্বাচন থেকে দুরে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাতকানিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান।

বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান জানান,সাতকানিয়ার ১৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে চরতীতে গিয়াস উদ্দিন শামিম সিকদার,আমিলাইশে এডভোকেট বেলাল উদ্দিন, খাগরিয়ায় হারুনুর রশিদ, নলুয়ায় শাহ আলম,কাঞ্চনায় খোরশেদুল আলম, মার্দাসায় ফেরদৌস আহমদ সিকদার, ঢেমশায় আব্দুল মজিদ বজল, পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নে এম এ মোমেন,কালিয়াইশে আমির হোসেন, কেওচিয়ায় আরমান হোসেন, ছদাহায় শেফায়েত উল্লাহ, ধর্মপুর তসলিম উদ্দিন, এওচিয়ায় সেলিমুল হক, সাতকানিয়া সদরে সামশুল আলম, সোনাকানিয়ায় কামাল উদ্দিন বাজালিয়ায় মোহাম্মদ আলী, পুরানগড় জসিম উদ্দিনের নাম চুড়ান্ত করা হয়েছে। তবে সাতকানিয়া সদরে সামশুল আলমের বিকল্প এডভোকেট মনির আহমদ, আবু তাহের, এওচিয়ায় সেলিমুল হকের বিকল্প হাফেজ আহমদ, ছদাহায় সেফায়েত উল্লার বিকল্প জামাল উদ্দিন, আমিলাইশের এডভোকেট বেলাল উদ্দিনের বিকল্প ফরিদুল আলমের নাম রাখা হয়েছে। পুরানগড়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, পুরানগড় ইউনিয়নে বিএনপির অবস্থা ভাল। সুষ্ট ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিজয় আশা করছি। প্রার্থী ঘোষনার বিষয়ে জানতে চাইলে সাতকানিয়া বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, সারা দেশে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের দমন নিপীড়ন, বিভিন্ন ধাপে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ব্যাপক কারচুপি, অপ্রতিরোধ্য সন্ত্রাসের কারনে আমাদের সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনেকটা ভীত সন্ত্রস্ত। তারপরেও জনগনের ব্যাপক সমর্থনের দিক বিবেচনায় নিয়ে এলাকার জনপ্রিয় নেতাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারনা শুরু হলে দলের জেলা, মহানগর ও কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারনায় অংশ নিবেন। নির্বাচনে কারচুপি না হলে, দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, কর্মকর্তাবৃন্দরা যদি নিরপেক্ষ থাকে তাহলে তাহলে আমাদের প্রার্থীরা অব্যশ্যই বিজয়ী হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

দলীয় প্রার্থীদের প্রচারনাসহ সব বিষয়াদী উপজেলা পর্যায়ে দেখভাল করার জন্য একটি সমন্বয় সেল করা হবে বলে জানান তারা।

 

মতামত