টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সীতাকুণ্ডে পরিবেশ বিপন্ন করে পুড়ানো হচ্ছে রাবার

মোঃ ইমরান হোসেন
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ০৪  মে (সিটিজি টাইমস):: পরিবেশ রক্ষায় সরকার আন্তজার্তিকভাবে পুরস্কৃত হলেও সীতাকুণ্ডে পরিবেশ বিপন্ন করে রাবার পুড়নো হচ্ছে পাহাড়ে। ইতিপূর্বে বিষয়টি নজরে আসায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের মাধ্যমে ফ্যাক্টরীটি বন্ধ করেছিল প্রশাসন। কিন্তু কিছু দিন না যেতেই প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ফ্যাক্টরী পূনরায় চালু হলেও কিছুই করতে পারছে না।। ফলে পূর্বের চেয়ে আরো অধিক মাত্রায় রাবার পুড়িয়ে দুষন ছড়িয়ে পরিবেশ ভারসাম্য নষ্টের মিশনে নেমেছে মহলটি। প্রশাসনের উর্ধতন মহল জটিত থাকায় স্থানীয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনে গড়িমসি করছে বলে জানা যায়।

বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকটি মেশিনের সাহয্যে গাড়ির টায়ারসহ নানা আকৃতির পুরানো রাবার পুড়ানোর কাজ চলছে পাহাড় ঘেষে গড়ে উঠা কারখানায়। কানো প্রকার আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে রাত-দিন রাবার পুড়িয়ে চলছে কর্মরত শ্রমিকরা। রাবার পুড়ানোর সময় দুর্গন্ধ আর দুয়ায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়ে কারখানার আশ-পাশসহ প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা। বিশাক্ত গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠায় বসবাসের করতে পারছে না গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। পরিবেশ আইন অমান্য করে প্রতিনিয়ত রাবার পুড়াতে থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গ্রামবাসী।

আলি চৌধুরী পাড়া স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন , সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় ফ্যাক্টরীর রাবার পুড়ানোর কাজ। প্রশাসনের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে রাবার পুড়ানোর ফলে র্দুগন্ধে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হয়ে নানা অজানা রোগ দেখা দিচ্ছে গ্রামে। প্রশাসন ব্যবস্থা নিলেও কারখানাটি পূনরায় চালু হয়ে রাবার পুড়িয়ে যাচ্ছে। তবে কারখানার সাথে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টতায় স্থানীয় প্রশাসনের ব্যবস্থা গ্রহন করার পরও কোনো কাজে আসছে বলে জানান গ্রামবাসী।

আর স্থানীয় প্রশাসন ব্যার্থ হয়ে পড়ায় কাউকে পরোয়া করছে না ফ্যাক্টরীর মালিক পক্ষ। ফলে সিলগালা করার পরও কারখানাটি পূনরায় পরিচালিত হলেও প্রশাসন জেনে-শুনেও চুপ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চরম হুমকীতে পড়েছে আলি চৌধুরী পাড়ার হাজার হাজার মানুষসহ জীব বৈচিত্র। তবে প্রশাসনের উর্ধতন মহলের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বীকার করে ফ্যাক্টরী মালিক রাজু আহাম্মদ বলেন,‘ পুলিশের উর্ধতন একজন কর্মকর্তা আমার ভাই হন। তবে তিনি পুরাপুরি সংশ্লিষ্ট না হলেও সুবিধা-অসুবিধাগুলো দেখে থাকেন। এরপরও যতদুর সম্ভব নিয়মের মধ্য দিয়ে ফ্যাক্টরীটি পরিচালনা করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম ভ’ইয়া সিটিজি টাইমসকে জানান,‘ এলাকা হতে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে পূনরায় কাখানাটি চালু করার খবর পেয়েছি।’ কোনো আইনের ভিত্তিতে কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত