টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সিম নিবন্ধনের সময় বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শনিবার

চট্টগ্রাম, ২৮ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস):: বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হবে কি না তা জানা যাবে আগামী ৩০ এপ্রিল। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম আজ একথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ৩০ এপ্রিল পর্যন্তই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের শেষ সময়। তবে ওই দিন রাত ১০টা পর্যন্ত সকল কাস্টমার কেয়ার সিম নিবন্ধনের জন্য খোলা থাকবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন,তবে আগামী ৩০ এপ্রিল এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তারানা হালিম বলেন, ‘৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সিম নিবন্ধনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিম নিবন্ধনের এই কাজটি শেষ করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য ৩০ এপ্রিল রাত ১০টা পর্যন্ত সব মুঠোফোন অপারেটরের গ্রাহক সেবাকেন্দ্র ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র খোলা থাকবে। আগামী দুই দিন সরকারি ছুটি থাকলেও নির্বাচন কমিশনের অধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) সব আঞ্চলিক কার্যালয়ও ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত খোলা রাখার কথাও জানান তিনি। সিম নিবন্ধন করতে গিয়ে আঙুলের ছাপ না মেলাসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল তথ্য ঠিক করার জন্য এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হবে কি না তা আগামী ৩০ এপ্রিল এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। তারানা হালিম বলেন, ‘৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সিম নিবন্ধনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

ডাক ও টেলি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা বলেন, প্রথম দিন থেকে বলে আসছি পহেলা মে থেকে কয়েক ঘণ্টার জন্য সিমগুলো বন্ধ থাকবে। যারা করেনি, তারা যেন দ্রুত রি-ভেরিফিকেশন করে নেয়।

১ মে থেকে অধিকাংশ অনিবন্ধিত সিম তিন ঘণ্টা বন্ধ রাখছি এই বার্তাটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য যে তাদের দ্রুত গিয়ে রি-ভেরিফিকেশন করে নেওয়া প্রয়োজন।

বুধবার দেশের ছয়টি মোবাইল অপারেটরের সাত কোটি ৭৯ লাখ সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন ও পুনঃনিবন্ধন হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত ১৬ ডিসেম্বর সিম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ায় আঙুলের ছাপ না দিয়ে এখন আর নতুন সিম কেনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুরনো সিমের পুনঃনিবন্ধন চলছে।

এ পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন বা পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আঙুলের ছাপ না মেলায় সিম পুনঃনিবন্ধন করতে পারেননি এক কোটির বেশি গ্রাহক।

তারানা হালিম বলেন, আরও ১ কোটি ২১ লাখ এসেছিলেন, তারা নানা ধরনের ফিঙ্গার প্রিন্ট না মেলা বা ভুলভাবে নম্বর দেওয়ার কারণে ম্যাচ করেনি। ধরে নিচ্ছি তারা জেনুইন এবং তারা এসেছিলেন।

নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হবে কি না সে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রথম দিন থকে সিরিয়াসলি বলেছি, শেষ সময় ৩০ এপ্রিল। আমরা চাই না এই কাজটি কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হোক। এজন্য বার বার বলেছি, অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সুযোগ থাকবে না।

আমরা অনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সুযোগ রাখলে অনেক ফাঁক-ফোকর সৃষ্টি হত এবং অনেকে আসবেন, অনেকে করবেন না। যে কারণে তাগাদা রাখতে চাই। ফলাফলটা দেখতে চাই ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কতখানি এগোতে পারছি।
– See more at: http://www.dhakatimes24.com/2016/04/28/110961#sthash.RevXJ6VE.dpuf

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত