টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে

চট্টগ্রাম, ২৩ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) : তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে দাবি করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সব জায়গাতেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করছে দলটি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে শুরু থেকেই একে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নিয়েছিল বিএনপি। নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী বাছাইয়ে, মনোনয়ন প্রদানে তাদের কোন আগ্রহ নেই। যেহেতু বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের একাধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে, তাই বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকে। তাই বিএনপি তাদের কাঁধে ভর করে নির্বাচনে গোলযোগ সৃষ্টি করার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।

নির্বাচন কেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্ব কমিশনের না, নির্বাচন কমিশনের এমন বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, এটি সঠিক না। কেন্দ্রের ভেতর-বাইরে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব তাদের।

কাশিয়ানীতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমরা সমর্থন করি না। আমরা চাই সব পেশাজীবীরা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করুক। আমরা বিষয়টি খোঁজ নিব। যদি কাউকে কেউ হয়রানি করে থাকে, তাহলে কর্তৃপক্ষকে জানাবো ব্যবস্থা নিতে।

সাংবাদিক শফিক রেহমানকে ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে আটক করা হয়েছে শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ অভিযোগ আমরা তুলিনি। এফবিআই এর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে মাহমুদুর রহমান ও শফিক রেহমানের নাম। তার বাসা থেকে এফবিআইয়ের কাগজ পাওয়া গেছে। তিনি এ ষড়যন্ত্রে জড়িত না থাকলে তার বাসায় এসব থাকবে কেন?

তিনি আরও বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে তথ্য যখন বেরিয়ে আসছে, আইনের আওতায় যখন তারা এসেছে, তখন বিএনপি নেতারা জনগণের দৃষ্টি ঘুরাতে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। তবে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই যে, এর সাথে বিএনপির আর কে কে জড়িত তা বের করা হবে। তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রমাণ হলে সাজা প্রদান করা হবে। যেন পরে আর কেউ এমন কিছু করার দুঃসাহস না দেখান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ড. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এনামুল হক শামীম, এসএম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।

মতামত