টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে তিন মাসে নিহত ২০, আহত শতাধিক

ফিটনেস বিহীন গাড়ি,অদক্ষ চালক, বেপরোয়া গতি অন্যতম কারণ

এম মাঈন উদ্দিন
মিরসরাই  প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম, ২৩  এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) :  আবারো পুরনো চেহারায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের ৩০ কিলোমিটার এলাকা। সড়কের অত্যান্ত দুর্ঘটনা কবলিত ঝুঁকিপূর্ন এলাকা চিহিৃত হলেও গত কিছুসময় দুর্ঘটনা কমে যাওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস পেলেছিলো এই সড়কে চলাচলকারী চালক ও যাত্রীরা। কিন্তু হটাৎ করে দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়াতে শংকিত এখানকার চালক ও যাত্রীরা। মহাসড়কের মিরসরাই অংশের ৩০কিলোমিটার অংশে জানুয়ারী মাস থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২০ জনের আর আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে গত বছর তিন চাকার সিএনজি-অটোরিক্সা তুলে দেওয়ার পর কিছুদিন সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ থাকলেও পুনরায় মহাসড়কের শুরু হয়েছে মৃত্যুর মিছিল। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিশাল একটি অংশ মিরসরাই অংশে থাকলেও দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রæত চিকিৎসার জন্য ট্রমা সেন্টার না থাকায় আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নিয়ে যাওয়ার সময় বেশীরভাগ রোগী মারা যায়।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর কারণ অনুসন্ধানে জানা গেছে, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন গাড়ী, দূরপাল্লার যানবাহনগুলো বিশেষ করে রাত্রে অতিরিক্ত গতিতে চালানো, ইমা-সেইফ লাইন গাড়ীগুলোতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা, ঝুঁকিপূর্ণ অভারটেক করা, ইউটার্নে যথাযথভাবে পারাপার না হওয়া, যত্রতত্র গাড়ী পার্কিং, বড় বাজারগুলোতে ওভারব্রীজ না থাকাতে পথচারীরা ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে মহাসড়ক পার হওয়া, ছোট গাড়ীগুলো যেখানে সেখানে যাত্রী উঠানামা করা, অবৈধ নচিমন-করিমন ভটভটি, মাটি বহনকারী ট্রাক চলাচল করা। এছাড়া মহাসড়কে বেপরোয়া গতির ও ফিটনেসবিহীন গাড়ী এবং লাইসেন্সবিহীন চালকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত কিংবা পুলিশের কোন অভিযান চলমান না থাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ।

জানা গেছে, মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সিএনজি অটোরিক্সা বন্ধ করে দেওয়ার পর যাত্রী পরিবহনের জন্য চার চাকার টেম্পু (সেইফ লাইন, ইমা, মিশুককার, লেগুনা), মিনিবাস ছাড়লেও গাড়ীগুলো চালানোর জন্য কোন চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। তিন চাকার সিএনজি-অটোরিক্সা চালক যাদের অধিকাংশের লাইসেন্স নেই তারাই এখন যাত্রীবাহী বাসগুলো চালাচ্ছে। অধিকাংশ চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে নূন্যতম ধারণাও নেই। মহাসড়কের সিএনজি-অটোরিক্সা নিষিদ্ধ হওয়াতে চালকরা সিএনজি গাড়ী বিক্রি করে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহর থেকে ফিটনেসবিহীন পুরাতন প্রাইভেটকার কিনে এনে নতুন রং করে মহাসড়কে চালাচ্ছে। পুরাতন প্রাইভেটকারগুলো তিন থেকে ৪ লাখ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। এছাড়াও মহাসড়কে বর্তমানে যাত্রী পরিবহনে ফেনী জেলার গ্রীন টাউন সার্ভিস বা কুইক সার্ভিসের মিনিবাস এবং ইমা ও সেইফ লাইন নামে যে গাড়ীগুলো চলছে সেগুলোর অধিকাংশের ফিটনেস আর চালকের লাইসেন্স নেই। শুধু গাড়ীর স্টিয়ারিং ঘুরাতে পারেন ১৮ বছরের কম বয়সী অনেক চালকও নেহাত কম নয়। আগে সিএনজি-অটোরিক্সা দুর্ঘটনায় কবলিত হলে ৪-৫ জন মারা যেত এখন মিনি বাসগুলো দুর্ঘটনায় কবলিত হলে লাশের সংখ্যা ৩০-৪০ জনে গিয়ে ঠেকছে। মহাসড়কে সিএনজি-অটোরিক্সা তুলে দেওয়ার পর এক শ্রেণীর সেন্ডিকেট ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী ও ছাগলনাইয়া থেকে ফিটনেসবিহীন প্রাইভেটকার, মিনিবাস, ইমা গাড়ী কিনে এনে ওয়ার্কসপে নিয়ে নতুন রং করে মহাসড়কের নেমে পড়ছেন যাত্রী পরিবহণের জন্য। সরকার যে উদ্দেশ্যে মহাসড়কে সিএনজি-অটোরিক্সা বন্ধ করেছিলো সে উদ্দেশ্যে অনেকটা ভেস্তে যাওয়ার পথে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই অংশে চলাচলকারী যাত্রীবাহী মিনিবাস, ইমা, সেইফলাইনের কয়েকজন চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা সরকারী সকল নিয়ম মেনে লাইসেন্স নিতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে লাইসেন্স নেওয়ার পদ্ধতিটি আরো সহজ করা, দ্রæত সময়ের মধ্যে লাইসেন্স দেওয়া, চালকদের জন্য সরকারী ভাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে তারা লাইসেন্স এবং প্রশিক্ষণ নিতে রাজী।

মিরসরাই থানা ও জোরারগঞ্জ থানা, নিজামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং জোরারগঞ্জ চৌধুরীহাট পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা গেছে, সর্বশেষ ২৩ এপ্রিল সকালে সড়কের উত্তর সোনাপাহাড় এলাকায় দ্রæতগাতি একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রন হারিয়ে আইলেন্ডে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে আব্দুল আজিজ ও জহির উদ্দিন নামে দুইজন মারা যায়। গত ১৬ ফেব্রæয়ারি দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের (পুরাতন) জোরারগঞ্জ বাজারের উত্তর পাশে মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি ফেরার সময় ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান ফয়সালকে পিছন দিক থেকে একটি পিকআপ ধাক্কা দিলে সে গুরতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানোর পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নেওয়ার পথে সে মারা যায়। ফয়সাল উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের খিলমুরারী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। গত ২২ ফেব্রæয়ারী রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিএসআরএম এলাকায় বড়দারোগারহাটগামী হিউম্যান হলারকে পিছন দিক থেকে একটি লরি ধাক্কা দিলে জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম সোনাপাহাড় গ্রামের আমিন মাষ্টারের ছেলে আরিফ হোসেন নামে একজন ঘটনাস্থলে নিহত হয় আরো ৩ যাত্রী আহত হয়। গত ২৫ ফেব্রæয়ারী দুপুরে উপজেলার বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সংযোগ সড়কে যাত্রীবাহী সিএনজিকে রয়েল সিমেন্টবাহী একটি কার্ভাডভ্যান ধাক্কা দিলে সুফিয়া বেগম নামের এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তিনি উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের প্রবাসি নুরুন্নবীর স্ত্রী। এসময় আরো ৫ জন আহত হয়। গত ২৭ ফেব্রæয়ারী সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালের দোকান এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি গাড়ী মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে মোটর সাইকেলে থাকা সামছুল আলম শানু (৫০) নামে এক আওয়ামীলীগ নেতা নিহত হন। এসময় আহত হন মিরসরাই সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার ফারুক (৩৮)। গত ৩ মার্চ সন্ধ্যায় বারইয়ারহাট-রামগড় সড়কের লক্ষীছড়া ব্রীজ এলাকায় একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লাগলে ট্রাকের সহকারী আবুল হোসেনের (১৯) মৃত্যু হয়। সে ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার পশ্চিম চাঁদপুর কুমারী এলাকার আবদুল মান্নানের ছেলে। একই দিন রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সুফিয়া রোড় এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরত্বর আহত হন মিঠাছড়া বাজারের ব্যবসায়ী শাহদাত হোসেন। গত ৪ মার্চ সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কমলদহ এলাকায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পথচারীদের একটি কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দিলে ১০ পথচারী আহত হয়। একই দিন দুপুরে জুমার নামায পড়ে বাড়ি যাওয়ার সময় কমলদহ এলাকায় উল্টো পাশ দিয়ে বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় ঢাকাগামী একটি লরি (ঢাকা মেট্রো-ঢ-৮১০২০৩) ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ ওয়াহেদপুর গ্রামের সাহাবউদ্দিন (৬২), মো: আবদুল্লাহ (৭০) কে ধাক্কা দেয়। এতে সাহাব উদ্দিন ঘটনাস্থলে এবং মো. আবদুল্লাহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) মারা যায়। গত ১০ মার্চ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের বারইয়ারহাটে পৌরসভায় নোয়াখালী জেলার লক্ষীপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্যেশ্যে ছেড়ে আসে নারিকেল ও সুপারি বহনকৃত ট্রাক মহাসড়কে রাখা পাথরের সাথে ধাক্কা লেগে ডিভাইডারের উপর উঠে উল্টে যায়। এতে ট্রাকের যাত্রী লক্ষীপুর উপজেলার জব্বারহাট ডাকঘরের সাখচর গ্রামের ওহিদুর রহমানের ছেলে মোঃ সুজন (১৭) এবং একই এলাকার মৃত মজিবুল হকের ছেলে আবদুল করিম (৪৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এতে চালক সহ আরো ৮ যাত্রী গুরুতর আহত হয়। গত ১৩ মার্চ সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম (পুরাতন) মহাসড়কের বারইয়ারহাট পৌরসভার তিতার বটতল নামক স্থানে মাছ বহনকারী একটি পিকআপ সিএনজি-অটোরিক্সাকে চাপা দিলে দিদারুল আলমের স্ত্রী সাহেদা আক্তার (৩৩), ছেলে আব্দুল্ল্যাহ আল সাইমুম (৯), সাইদুল ইসলাম (১০ মাস) নিহত হয়। এসময় আহত হয় দিদারুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে ইভা আক্তার (৫)। দিদারুল ইসলাম উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ইমামপুর গ্রামের আমীর হোসেন ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা। গত ২৩ মার্চ রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এসবিকে-১ ব্রিক ফিল্ডের সমানে ঢাকাগামী একটি অজ্ঞাত সয়াবিন তেলবাহী ট্রাকের সাথে ঠাকুরদিঘীগামী সিএনজি অটোরিক্সার মুখোমুখী সংঘর্ষে চালকও এক স্কুল ছাত্র ঘটনাস্থলে নিহত হয়। নিহতরা হলো মিঠাছরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্র সাইফুল ইসলাম সিফাত (১২), সিএনজি-অটোরিক্সা চালক উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নের পূর্ব কাটাছরা গ্রামের মৃত হেঞ্জু মিয়ার পুত্র মাসুদ (৩০)। সিফাত উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব দূর্গাপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মুন্সীর ছেলে। একই দিন রাত ১ টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বড়তাকিয়া বাজারের পোলমোগরা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নাহার এগ্রো গ্রæপের মুরগীর বাচ্চা বহনকারী চট্টগ্রামগামী ভ্যানকে পেছনের দিক থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে ভ্যান চালক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ত্রিশকোট গ্রামের জামাল উদ্দিনের পুত্র জাফর উদ্দিন (৩৫) নিহত হয়। গত ৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রায়পুর এলাকায় ইউটার্নে এসবিকে-১ ব্রিকফিল্ডের মাটি বহনকারী একটি পিকআপ চট্টগ্রামগামী গরুবহনকারী একটি পিকআপকে ধাক্কা দিরে ঘটনাস্থলে গরু ব্যবসায়ী সীতাকুন্ড উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার রফিকুজ্জামানের ছেলে অলি আহম্মদ (৪৫) নিহত হয়। এসময় একটি গরুও মারা যায়। পিকআপে থাকা যাত্রী একই এলাকার আমিনুল হকের ছেলে হাবিব উল্লাহ সহ ৩ জন আহত হয়। গত ১১ এপ্রিল সোমবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনাপাহাড় বাইপাস এলাকায় বারইয়ারহাটগামী সেইফ লাইন পরিবহণের একটি মিনিবাসের সাথে অপরদিক থেকে আসা অজ্ঞাত একটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে এনজিও কর্মী মোর্শেদা আক্তার শিল্পী (৩৮), রিদোয়ান (৪০), ইসমাইল (৩১), রিংকু ভৌমিক (২৬), জোরারগঞ্জ বৌদ্ধ উচ্চ বিদ্যালয়ের (জেবি) নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরাফাত (১৫), অষ্টম শ্রেণীর ফয়সাল (১৪) সহ সাতজন আহত হয়। একই দিন রাত দয়টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পান্তা পুকুর এলাকায় বারইয়ারহাটগামী একটি মিনিবাসকে পেছন থেকে বেপরোয়াগতির একটি ট্রাক ধাক্কা দিলে ৫ জন যাত্রী আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মিরসরাই সদর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি রবিউল হোসেন। অন্য যাত্রীদের নাম পাওয়া যায়নি। সোমবার রাত ৩টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নয়দুয়ার এলাকায় দুইটি ট্রাকের সংঘর্ষে ট্রাকের হেলপার ও মিস্ত্রী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন ট্রাকের হেলপার পাবনা জেলার হেমায়েতপুর এলাকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে রিপন আলী (৪৫) ও মিরসরাই পৌর সদরের মোমিনটোলা গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে মো.শামীম (২৮)।

জোরারগঞ্জ চৌধুরী হাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. ফরিদ উদ্দিন জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহসড়কে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হলো চালকদের অসতর্কতা। যাত্রবাহী ছোট যানবাহনগুলো যত্রতত্র যাত্রী উঠানামা করা, ফিটনেসবিহীন গাড়ী চলাচলও অন্যতম কারণ। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহসড়কের মিরসরাই অংশের চার লেইন প্রকল্প চালু হয়ে যাওয়ায় দূরপাল্লার গাড়ীগুলো দ্রæত গতিতে চলছে। মহাসড়কে যেসব গাড়ী ধীর গতিতে চলছে সেগুলো দুর্ঘটনার বেশী শিকার হচ্ছে। মহাসড়কে লাইসেন্সবিহীন চালক, ফিটনেসবিহীন গাড়ীর বিরুদ্ধে শীঘ্রই অভিযান চালানো হবে বলেও জানান তিনি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত