টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চুয়েটে উদ্বোধন হলো দেশের সর্ববৃহৎ ‘মাল্টি পারপাস টিল্টিং ফ্লুম’

trilingচট্টগ্রাম, ২০  এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) :চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এর পুরকৌশল বিভাগের অধীনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ‘মাল্টি পারপাস টিল্টিং ফ্লুম’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।

এই উপলক্ষে চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি এবং বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ মি. ক্যারেল ডি গ্রোত, নেদারল্যান্ডস এর ইউনস্কো হি এর শিক্ষক ড. উইম ডুবেন, প্রকল্প পরিচালক ড. বিশ্ব ভট্টাচার্য।

সভাপতিত্ব করেন নেদারল্যান্ডস এর NICHE/BGD/081 Project এর প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: হযরত আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ‘মাল্টি পারপাস টিল্টিং ফ্লুম’ কেবল চুয়েট নয়, পুরো বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা-গবেষণায় অত্যন্ত উপকারে আসবে। পানি সম্পদ ও নদী গবেষণার জন্য এটি একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে থাকবে। আমি এই প্রকল্প স্থাপনে এগিয়ে আসার জন্য নেদারল্যান্ডস সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি এবং বিশিষ্ট পানি বিশেষজ্ঞ মি. ক্যারেল ডি গ্রোত বলেন, পানি সম্পদ গবেষণায় নেদারল্যান্ডস দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রকল্প এগিয়ে চলছে। চুয়েটেও একই রকম একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা-গবেষকরা গবেষণা কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে বৃহত্তর পর্যায়ে অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো: আব্দুর রহমান ভূইয়া, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. মো. মনোয়ার হোসেন,বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী আমিরুল হোসেন প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিভিল এন্ড ওয়াটার রির্সোসেস বিভাগের প্রধান ড. মো. রিয়াজ আক্তার মল্লিক। সঞ্চালনায় ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আয়শা আক্তার।

প্রসঙ্গত: ফ্লুমটি নেদারল্যান্ডস এর NICHE/BGD/081 Project এর আওতায় এবং Nuffic, The Netharlands এর ফান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ওয়ার্কশপে প্রায় ১.৬ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত হয়।

ফ্লুমটির মাধ্যমে শিক্ষার্থীসহ গবেষকগণ বিভিন্ন ধরনের গবেষনামূলক কাজ যেমন- সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিপ্রকৃতি, পানি প্রবাহের বৈশিষ্ট্য, নদীর পলি জমার হারসহ পানি সম্পর্কিত বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারবেন।

এছাড়াও পানিসম্পদের সাথে সম্পর্কিত দেশের বিভিন্ন সংস্থাসমূহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক গবেষণায় ফ্লুমটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যার উপযুক্ত সমাধান খুঁজে বের করে দেশ ও জাতির উন্নয়নে ফ্লুমটি কাজে লাগাতে পারবেন।

মতামত