টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বাঁশখালী-সংঘর্ষের মামলায় জামিনে ১২ জন মুক্ত

Ctg-Photo-8

ছবিঃ অনুপম

চট্টগ্রাম, ১৯  এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) :চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তার ১২ জন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁরা জামিনে মুক্তি পান।

জামিনে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আবদুল খালেক, ইকবাল হোসেন, আলী আহমদ, জহিরুল ইসলাম, আছদ আলী, শাহ আলম, মহিউদ্দিন, আক্তার হোসেন, হুমায়ুন কবির, আবদুল আলীম, রফিক আহমেদ ও আনছারুল্লাহ। তাঁরা সবাই প্রকল্প এলাকার বাসিন্দা।

আজ দুপুরে বাঁশখালীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. সাজ্জাদ হোসেন ওই ১২ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। বাঁশখালী আদালতের সরকারি কৌঁসুলি বিকাশ রঞ্জন ধর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে গত ৪ এপ্রিল কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ১২ গ্রামবাসীকে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর তাদেরকে আজ জামিনে মুক্ত করে সংবাদ সম্মেলনে অাসেন ‘গণ্ডামারা ইউনিয়ন বাঁচাও আন্দোলন কমিটির’ প্রধান পৃষ্টপোষক সাবেক সিটি মেয়র ও বাঁশখালী থেকে তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘বাঁশখালীর গণ্ডামারা ইউনিয়ন এলাকায় মানুষ এখন দু’ভাগে বিভক্ত। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে হয়ে গুটিকয়েক মানুষ কথা বলছে। তারা টাকা খেয়ে তাদের দালালি করছেন কিন্তু শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চাই না। আমরা ৯০ ভাগ মানুষের পক্ষে হয়ে ‘গণ্ডামারা ইউনিয়ন বাঁচাও আন্দোলন’ নামে একটি কমিটি গঠন করেছি। এ কমিটির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ৯ দফা দাবি পেশ করেছি। আমাদের নয় দফা দাবির মধ্যে প্রথম তিনটি পূরণ হয়েছে। এর মধ্যে একটি দাবিও যদি অপূরণ থাকে তাহলে আমাদের আন্দোলন চলবে।’

সংবাদ সম্মেলনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের আগে পরিবেশের তিন প্রকার ছাড়পত্র দেখাতে হবে। যে ছাড়পত্রগুলো এখনো জনগণ দেখেনি। কিন্তু ছাড়পত্র ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া মানে কী?

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, লিয়াকত শুরু থেকে আন্দোলনে ছিল, ওই আন্দোলনে আমরাও ছিলাম। লিয়াকত আলী এখন এলাকায় নেই। তাই কমিটিতেও নেই। তবে বিভিন্ন সময়ে আমাদের সাথে তার যোগাযোগ রয়েছে।

মতামত