টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বাংলা নববর্ষকে ঘিরে পাহাড়ে আনন্দের জোয়ার

ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই উৎসবে মানিকছড়ির‘মহামুনি’চত্বরে লক্ষ মানুষের ঢল

আবদুল মান্নান
মানিকছড়ি প্রতিনিধি 

13(9))চট্টগ্রাম, ১৩ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) ::  বাংলা বর্ষকে বিদায় ও বরণ উৎসবকে ঘিরে বাংলাদেশের ৪৫টি আদিবাসী জনগোষ্ঠিসহ পুরোদেশবাসী এখন আনন্দে ভাসছে। আর পার্বত্য চট্টগ্রামের ১৩টি আদিবাসী সম্প্রদায় এ উৎসবকে (বৈসু,সাংগ্রাই,বিজু) বৈসাবি তথা বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে তিন দিন ব্যাপি পালন করছে অনুষ্ঠানমালা। মানিকছড়ির ঐতিহ্যবাহী মংরাজ আবাসস্থল ‘মহামুনি’ চত্বরে এবার পালিত হচ্ছে ‘১৩৩’তম চৈত্র সংক্রান্তি সাংগ্রাই মেলা। এ উৎসবকে ঘিরে ১৩ এপ্রিল বুধবার দিন ব্যাপি এ মেলায় পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশ-বিদেশের অর্ধলক্ষ মানুষের পদচারণায় মুখরিত ছিল মেলা প্রাঙ্গন। এছাড়া এ উৎসবকে ঘিরে এ অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্টিরা পালন করছে নানা ধরণের অনুষ্ঠানমালা। এ যেন সংস্কৃতি অঙ্গনে যুক্ত হয়েছে নতুনমাত্রা।

সমাজ সভ্যতা ক্রমবিকাশের জীবনযাত্রা প্রণালী হচ্ছে নিজস্ব সংস্কৃতি। কারণ কুল-জাত-বংশ, গোষ্ঠী কখনো ধ্বংস হয় না, ধ্বংস হয় রীতি-নীতি, কৃষ্টি-কালচার, ভাষা ও বর্ণমালা বিলুপ্তির ফলে। সবুজ শস্য-শ্যামল সোনালী ঘেরা রুপসী সোনার বাংলা আমাদের এ বাংলাদেশ। বাংলাদেশ একটি বহুজাতিক স্বাধীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এই দেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত তিন পার্বত্য জেলা (খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান)। পার্বত্য চট্টগ্রামের ১৩ টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ সারা দেশে মোট ৪৫ টি আদিবাসী জনগোষ্ঠী রয়েছে। আর ৪৫টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যা দিক দিয়ে মারমা জনগোষ্ঠী ২য় অবস্থানে। এ জনগোষ্ঠীদের নিজ নিজ স্বকীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এ স্বকীয় বৈশিষ্ট্যসমূহ সমুজ্জ্ল ও সংস্কৃতি ঐতিহ্যকে রক্ষণশীল দৃষ্টি-ভঙ্গীতে লালন-পালন করা একটি ইঙ্গিত বহন করে আসছে সেই আদিকাল থেকে। মারমা সমাজের এ সাংগ্রাই উৎসব,লোকজ উৎসব হলেও মুলত ধর্মীয় উৎসবসহ বংশ পরস্পরায় এক অবিচ্ছেদ মোহ গতিধারা প্রবাহিত হয়ে আজ পর্যন্ত বিদ্যমান রয়েছে। মারমা সমাজের সাংগ্রাই উৎসব নিজস্ব স্বকীয়তা একটা ঐতিহ্যমন্ডিত কিংবদন্তী ইতিহাস রয়েছে। বিশেষ করে আচার-আচরণ, ধর্ম, রীতি-নীতি,ভাষা-বর্ণমালা ও শিক্ষা সমগ্র সত্তার মধ্য দিয়ে। এছাড়া রয়েছে, অঙ্গীকৃতনাট্য, সাংখ্রাং (লোকসঙ্গীত), খইসই তে:খ্রাং (আধুনিক গান), লোকরীতি, নাট্যরুপ, পাংখুং, জ্যাইত (গীতি নাট্য) পরিবেশনা, ওয়েসাইন্দ্রা (বুদ্ধ র্কীতন), ক্যাপ্যাসহ (কবিতা), প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যের একটা অনুসন্ধান। মারমাদের লোকজ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’ আর পার্বত্য অঞ্চলে সকল আদিবাসীদের লোকজ উৎসবের নাম বৈসাবি। বৈসাবি এর শাব্দিক শব্দের অর্থ হল ত্রিপুরাদের বৈসুক, মারমাদের সাংগ্রাই ও চাকমাদের বিজু। আর বাংলা ভাষাভাষীদের ‘বৈসাবিন’ হলে দাঁড়াই ‘ ত্রিপুরাদের বৈসুক, মারমাদের সাংগ্রাই , চাকমাদের বিজু বৈসাবি) এবং বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য নববর্ষ। বৈসাবি মূল তাত্তিক হল-নতুন বছর বা নববর্ষকে বরণ করে নেওয়া। বাংলায় বাঙ্গালীরা শুভ নববর্ষ (পহেলা বৈসাখ) পালন করে। বাংলায় ‘সংক্রম’ থেকে ‘ সংক্রান্তি’ উৎপত্তি, তেমনি মারমা ভাষায় ‘সাক্রাই’ থেকে ‘সাংগ্রাই’ শব্দের উৎপত্তি। আধুনিক কালের সভ্যতা বির্বতনে ও যান্ত্রিকবদৌলতে ইউরোপীয় সভ্য সমাজের কাছে এই উৎসব কার্নিভ্যাল (ঈধৎহরাধষ), ফ্যাস্টিভ্যাল (ঋবংঃরাধষ) এবং উপমহাদেশের কাছে চৈত্র সংক্রান্তি , বাংলাদেশ-পশ্চিম ও বাংলা ভাষাভাষিদের কাছে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ ইত্যাদি নামে পরিচিত। এই লোকজ উৎসব ইংরেজিতে ঋড়ষশ কিংবা জার্মান ভাষায় ঠড়ষশং শব্দের অর্থে ব্যবহৃত হয়। এই পৃথিবীতে বিভিন্ন জাতি বিভিন্নভাবে এই উৎসবকে বিভিন্ন রঙ রাঙ্গিয়ে পালন করে থাকে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বছরে জনপ্রিয় উৎসব পালন করে স্পেনীশরা। যেহেতু এক সময় প্রায় সমগ্র ল্যাটিন আমেরিকা স্পেনীশদের দখলে ছিল। সে কারণে এখনো ওখানকার অধিবাসীরা স্পেনীশ সংস্কৃতি বহন করে থাকে। কিউবা রাষ্ট্রের এর প্রমাণ মেলে। সেই দিন কিউবা রাজধানী হাভানায় কার্নিভ্যাল, ফ্যাস্টিভ্যাল উৎসবের মতো এতো বড় রমরমা আয়োজন বিশ্বের আর কোথাও নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমা স¤প্রদায়সহ অন্যান্য জাতিসত্তা প্রতিবছর ‘সাংগ্রাই’ উৎসব পালন করে আসছে যুগযুগ ধরে। তবে স্থান- কাল পাত্রভেদে এই উৎসব ধরণ ভিন্নতর হয়।
মহামুনি বুদ্ধ মূর্তি ও মেলার তাৎপর্য :- মানিকছড়িতে প্রত্যেক বছর মহামুনি টিলায় মেলা বসে। আর বর্তমানে এ মেলাকে অনেকে সাংগ্রাই মেলা, বৈসাবি মেলা, বৈসাবিন মেলা ও বৈশাখি মেলা বলে থাকে। আসলে মেলাটা হবে ‘মহামুনি বুদ্ধ মেলা’। এই মহামুনি মেলা হওয়া প্রসঙ্গে আমরা কয়েকটি বিষয়ে স্পষ্ট অবতারনা হতে পারি তা হল-মহামুনি টিলায় বুদ্ধ মূর্তি স্থাপনকে নিয়ে। ১৭৮৪ সালে মিয়ানমার (বামা )আরাকান সম্রাজ্যে থেকে মূর্তি নিয়ে এসে মংসার্কেলের মংরাজা কংজয় বাহাদুর চট্টগ্রাম পাহাড়তলীতে ‘মহামুনি’নামক বুদ্ধ মূর্তি স্থাপন করেন। আর ১৮৮৩ সালে আরেক মং রাজা বাহাদুর নিপ্রæসাইন মানিকছড়িতে ‘ মহামুনি’বুদ্ধ মূতিটি মিয়ানমার (বার্মা)মান্দালয় প্রদেশ থেকে অষ্ট ধাতু দিয়ে নির্মিত মুর্তিটি নিয়ে এসে মহামুনি টিলায় স্থাপন করা হয়। তখন থেকে এ মহামুনি টিলায় প্রত্যেক বছরে মারমা পঞ্জিকা অনুসারে মেলা বসে। মূর্তি স্থাপন প্রথম দিকে কিন্তু মেলা জাকঁজমক ছিল না। আশি দশকের পর মেলা ঝাকঁজমক হতে শুরু করে। মূলত এ মহামুনি মেলার উদ্দেশ্য হল ‘মহামুনি’ বুদ্ধ মুর্তি স্থাপনের বর্ষপূর্তি। পুঞ্জিকানুযায়ী এ মেলার আয়োজন হলেও অনেক সময় ইংরেজি ১৪ এপ্রিলে সাথে মিলে যায় বলে অনেকে মনে করে বৈশাখী মেলা। কিন্তু আসলে তা নয় । ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে , ১৯৯৫ সালে সাংগ্রাই উৎসব পালিত হয় ১৪ এপ্রিলে এবং ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত হয় ১৩ এপ্রিলে। আর গত বছর ২০১৫ সালে মেলার তারিখ ছিল ১৪ এপ্রিল এবার ২০১৬ সালে তা হচ্ছে ১৩ এপ্রিল। আবার কোন কোন বছর গ্রহ-নক্ষত্র অবস্থানগত কারণে এ উৎসব তারতম্য ঘটে । যেহেতু মারমাব্দ সম্পূর্ণ চন্দ্রালোকের উপর নিভরশীল তাই সৌরমন্ডলের উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে । কথিত আছে,এ মহামুনি বুদ্ধ মূর্তিটি মহাকারুনিক গৌতম বুদ্ধ জীবিত থাকাকালীন সময় এবং বুদ্ধ মিয়ানমার (বার্মা) দেশের আরাকান প্রদেশে অবস্থানকালে আরাকান প্রদেশে মহারাজা চাইন্দা সুরিয়া(চন্দ্র-সুর্য) বুদ্ধের অনুমতি নিয়ে তৈরি করা হয় এ বুদ্ধের প্রতিমূর্তি । আর ধরে নেওয়া যায় এটিই পৃথিবীর বা জগতের প্রথম বুদ্ধ মূর্তি।

সাংগ্রাই সম্পর্কে মনীষীদের অভিমত ও মারমাব্দ প্রবর্তন- কিংবদন্তী ‘সাংগ্রাই’সর্ম্পকে বিশিষ্ট মনীষীদের তাঁদের মতামত ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে, তারাঁ বলেন,‘ সাংগ্রাই’ দিন ‘তাবতিংস স্বর্গ’থেকে ‘ব্রাইমামাংগ্রী’ বা ব্র²মহারাজা আলোকিক শক্তি নিয়ে মনুষ্যলোকে অবতরণ করেণ। তখন মনুষ্য লোকেরা তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা আচ্চর্ণা করেন। মারমা সমাজের সাংগ্রাই নির্ধারণের মূল ভিত্তি হলো মারমা বর্ষপঞ্জি। এই বর্ষপঞ্জি আজ থেকে ১৩৭৭ বছর মগাব্দ বা মারমাব্দ শতাব্দী গণনার ইতিহাস শুরু হয়েছিল। এ মারমা সাল গণনাকে ‘গজ্জাসাকরাই’ বলে। এই বর্ষপঞ্জি চন্দ্রলোক বা চাদঁ দেখার উপর অনুসরণ করে প্রর্বতন করা হয়েছে। এ বর্ষপঞ্জিকাটি রাষ্ট্রীয়ভাবে বার্মা (মিয়ানমার) রাজ দরবার থেকে প্রবর্তিত হয়েছিল। মিয়ানমার অধীশ্বর রাজা থেঙ্গা রাজা বা পৌক পা সৌ ‘ মারামাব্দ সনের প্রর্বতক।

সাংগ্রাই উৎসব পরিক্রমা:- মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব থাকে মূলত ৭ দিন ব্যাপী। ১ম দিন:- মারমারা এই দিনে নিজ নিজ বসতঘর, কাপর-চোপর,বাড়ির আঙ্গিনা সমূহ পরিস্কার পরিছ্ন্ন করে থাকে। এছাড়া নির্ধারিত দিনের তারা মেহমানদের অগ্রীম দাওয়াত দেন। ২য় দিন:-মারমাদের সাংগ্রাই পর্বে ২য় দিনকে ‘পাইংছোয়াই’(ফুল সংগ্রহ দিন) বলা হয়। ঐ দিন নানা প্রকার ফুল সংগ্রহ করে বুদ্ধকে পূজা করে থাাকে। এবং সাংগ্রাই উৎসকে আসার আগমন জানানো হয়। এই আগমনের জন্য প্রত্যেক এলাকায় স্ব-উদ্দ্যোগে সাংগ্রাইকে বরণ করার নিমিত্তে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন আনন্দ র‌্যালী ও আলোচনাসভা করে থাকে। ৩য় দিন:-সাংগ্রাই ৩য় দিনে ‘সাংগ্রাই’ চুড়ান্ত শুভামন ঘটার দিন। এ দিনে মারমারা বুদ্ধকে ছোয়াইং দান,ফুল পূজা, প্রদীপ পূজাসহ শীল পালন ও পিতা-মাতা,গুরুজনদের পূজা অর্ঘ্য প্রদান করেন। ঐ দিন ‘জিংবুদ্ধিবা ক্যইং’(পৃথিবী) কে স্বাক্ষী রেখে ‘তরোবোয়ে’(সংঘদানের জন্য যা প্রয়োজন হয়) ও ‘পিদিসা’ (কল্পতরু) সাজিয়ে দান করা হয়। জন্ম-জন্মান্তর ,স্বর্গ সুখ ও সর্বোপরি নির্বাণ সুখ লাভের কামনা করে থাকে। ৪র্থ দিন:-সাংগ্রাই ৪র্থ দিনকে বলা হয় ‘আক্যাই’এই দিনে মারমারা বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজি সংগ্রহ করে এবং ২য় দফায় আমন্ত্রিত অতিথিদের আবার দাওয়াত করে স্মরণ করিয়ে দেয়। ৫ম দিন :- সাংগ্রাই ৫ম দিনকে বলা হয় ‘আতাদা’ এ দিনে সকালে বুদ্ধ পূজা,ভিক্ষু সংঘকে পিন্ডদান, দুপুরে অতিথিদের আপ্যায়ন। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ানো, বয়স্কদের নিকট আর্শীবাদ কামনা, প্রত্যেকে বাড়িতে বিভিন্ন প্রকারে পিঠা তৈরি, এ সময় মারমাদের ৩২ প্রকারের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন সবজি খাবার ‘ফাসং’ রান্না করে অতিথিদের পরিবেশন করা হয়। এছাড়া রয়েছে ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় পানি খেলা,‘ধহ্’খেলা, কাংছি,আকাশচুম্বী বাশঁ উঠা ,হাডুডু ও ফুটবল খেলা ইত্যাদি। ৬ষ্ঠ দিন :- সাংগ্রাই ৬ষ্ঠ দিন বা শেষ দিনকে বলা হয় ‘আপ্যাইং’ অর্থ্যাৎ সাংগ্রাই প্রত্যাবর্তন বা নির্গমনের দিন । এ দিনে সাংগ্রাই দৃশ্য-অদৃশ্য প্রতীয়মান হয়। মারমারা এ দিনে ধর্মীয়ভাবগাম্বীর্যে মধ্য দিয়ে দিনগুলোকে সর্বশেষ বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগতম জানায় । ৭ম দিন:- এই দিনে ও যাহারা কাজে কর্মে ব্যস্ত জীবন কাটছিল তারা বা সময় পেরে উঠতে পারেনি তারা সেই দিনে অতিথিদের আমন্ত্রন জানিয়ে বিভিন্ন সু-স্বাদু খাবার দিয়ে পরিবেশন করা হতো। বাংলাদেশের সকল জাতির ও সকল স¤প্রদায়ের বসবাসের একটি দেশ। এবং এদেশের মানুষ মূলত উৎসব প্রিয়। এ দেশের সকল জনগোষ্ঠী তাঁদের নিজ নিজ ধর্ম ও ঐতিহ্য-সংস্কৃতি টিকে রাখুক এবং নিজেদের ঐতিহ্যকে নিজেরাই লালন-পালন করুক এমনই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন মেলায় অংশগ্রহণেকারী শান্তিকামি জনগণ। এ প্রসঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান ¤্রাগ্য মারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্যে মানিকছড়ির মংরাজ আবাসস্থল মহামুনিতে সাংগ্রাই উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে এ অঞ্চলের পাহাড়ী-বাঙ্গালীরা নিজেরা একে অপরের সাথে আত্মার-আত্মীয় হয়ে বন্ধনে মিলিত হয়। যেখানে জাতি-ধর্মের কোন ভেদাবেদ নেই, হিংসা নেই। এ যেন মানব জাতির মিলন স্থল।

গতকাল ১৩ এপ্রিল ১৩৩তম এ সাংগ্রাই মেলায় অতিথি হিবেসে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ¤্রাগ্য মারমা, ইউএনও যুথিকা সরকার, জেলা পরিষদ সদস্য এম.এ. জব্বার, ওসি মো. শফিকুল ইসলাম,সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. দিদারুল আলমসহ উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

মতামত