টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সিম নিবন্ধন : রুলের রায় মঙ্গলবার

চট্টগ্রাম, ১০ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) : বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে জারি করা রুলের রায় দেওয়া হবে আগামী মঙ্গলবার।

রোববার রুলের শুনানি শেষে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের বেঞ্চ রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে রুলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ ওয়াই মশিহউজ্জামান ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. মোক্তাদির রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

এর আগে গত ১৪ মার্চ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

এক সপ্তাহের মধ্যে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও ডিজি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, জাতীয় পরিচয়পত্র উইংয়ের ডিজি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল, সিটিসেল ও টেলিটক কর্তৃপক্ষকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

গত ৯ মার্চ রিট আবেদনটি দায়ের করেন আইনজীবী এস এম এনামুল হক।

রিটের পক্ষের আইনজীবীরা বলেন, গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিটিআরসি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের জন্য ছয়টি মোবাইল কোম্পানির প্রতি সার্কুলার জারি করে। মোবাইল কোম্পানিকে দিয়ে এটা বিটিআরসি করতে পারে না। সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের- (ক) প্রবেশ, তল্লাশি ও আটক হইতে স্বীয় গৃহে নিরাপত্তা লাভের অধিকার থাকিবে এবং (খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকিবে।

এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০১ এর ৩১ ধারার মধ্যে এটা পড়ে না। তাই সংবিধান ও এ আইন মতে এটা বেআইনি।

তারা আরো বলেন, বিটিআরসি মাত্র ২.৯৮ শতাংশ সিম নিয়ন্ত্রণ করে। বাকি ৯৭.০২ শতাংশ বিদেশিরা নিয়ন্ত্রণ করে। সুতরাং এখানে আমাদের নিরাপত্তা কী? আমরা বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ দিয়েছি। যেখানে আঙুলের ছাপ অবৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত