টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

দশ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে বাশঁখালীতে নিহতদের পরিবার

চট্টগ্রাম, ০৭ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) :: চট্টগ্রামের বাশঁখালীতে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে নিহত গ্রামবাসীদের প্রত্যেকের পরিবার দশ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরন পাবে। বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর রহমান নগরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সাংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন বাশখালীর সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মুস্তািফজুর রহমান।

এছাড়াও আহত সবার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “সোমবারের ঘটনায় নিহত আহতদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার এবং প্রস্তাবিত কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীকে যথাযতভাবে পূন:বাসন করার সিদ্ধান্ত আছে।”

সোমবারের সংঘর্ষের জন্য স্থানীয় বিএনপি নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী দায়ী উল্লেখ করে মুস্তাফিজুর রহমান এমপি বলেন, “পরিকল্পিতভাবে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে পায়দা হাসিলের জন্য গ্রামবাসীকে বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরুদ্ধে উসকানী দেয়া হয়েছে।”

অবিলম্বে সকল বিভ্রান্তির অবসান হবে বলে আশা করেন মুস্তাফিজুর রহমান।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে দেশের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হচ্ছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর গণ্ডামারা পশ্চিম বড়ঘোনায়। চায়না সেবকো এইচটিজির সঙ্গে যৌথভাবে ৬০০ একর জমির ওপর ২০ হাজার কোটি টাকার এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে এস আলম গ্রুপ। কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭০ শতাংশের মালিকানা চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের, ৩০ শতাংশের মালিকানা থাকবে দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের।

গতকিছু দিন ধরে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে-বিপক্ষে মিছিল, সমাবেশ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছিল। জীববৈচিত্র্য ধ্বংস, লবণ ও চিংড়ি চাষে জড়িতরা বেকার হওয়া, পরিবেশ বিপর্যয় ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হওয়ায় বিপুলসংখ্যক মানুষ বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারাবে এমন আশঙ্কা থেকে স্থানীয় একটি পক্ষ শুরু থেকে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্যে সীমানা পিলার স্থাপন ও জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছিল।

মতামত