টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বার্ন ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

চট্টগ্রাম, ০৫ এপ্রিল (সিটিজি টাইমস) :: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিতব্য ৫শ’ শয্যার আধুনিক বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর চানখাঁরপুলের নির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।পরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বার্ন ইন্সটিটিউটের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে বক্তব্য রাখেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপন প্রকল্পের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন সেনাবাহিনী প্রধানসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ঢামেক বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।এই প্রকল্পে ব্যয় হবে পাঁচ শ কোটি টাকার বেশি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মোট ১ দশমিক ৭৬ একর জমিতে বার্ন ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালটি সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে নির্মিত হবে। আন্ডারগ্রাউন্ডে দুই তলা বেজমেন্টসহ মোট ১২ তলাবিশিষ্ট বহুতল একাধিক ভবনে সব ধরনেরে সুযোগ সুবিধাই থাকবে। পৃথক তিনটি ব্লকের একটিতে বার্ন, একটিতে প্লাস্টিক ও অপরটিতে একাডেমিক ভবন থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে রাজধানীসহ সারা দেশের দগ্ধ রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উচ্চতর ডিগ্রিপ্রাপ্ত ও গুণগত মানসম্পন্ন বার্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গড়ে তোলার লক্ষ্যে এটি নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৩০ কোটি টাকা।জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় অনুমোদন পাওয়া ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশে চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম নতুন মাইলফলক ছুঁয়ে যাবে বলে মনে করেন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপন প্রকল্পের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, সারা দেশের হাজার হাজার পোড়া রোগীর চিকিৎসার জন্য (এমডি ও এমএস উচ্চ ডিগ্রিধারী) কমপক্ষে ১ হাজার ৫শ’ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন হলেও বর্তমানে রয়েছেন মাত্র ৫২ জন। বর্তমানে সীমিত পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মেডিকেল কলেজে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিষয়ে স্নাতকোত্তর এমএস ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনসে (বিসিপিএস) এফসিপিএস কোর্সে প্রতিবছর হাতেগোনা ২ থেকে ৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হচ্ছে। অধিকতর বিশেষজ্ঞ তৈরিতে পৃথক ইন্সটিটিউট ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত