টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

চট্টগ্রামে সাবেক কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনের কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম, ১৩ মার্চ (সিটিজি টাইমস) :: চট্টগ্রামে বন্ধকী সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে কৃষি ব্যাংকের সাবেক দুই কর্মকর্তাসহ চারজনকে ১০বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রবিবার বিকেলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রুহুল আমিন এই রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন-বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক চট্টগ্রাম চা বোর্ড শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক শাহেদ হাসান, দ্বিতীয় কর্মকর্তা মীর কাশেম, মেসার্স ফিশ হোম লিমিটেডের প্রধান হিসাব কর্মকর্তা দিপক চৌধুরী ও গুদাম কর্মকর্তা সাহেদুল হক। আসামিরা সবাই পলাতক।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী জানান, আসামিরা পরষ্পর যোগসাজসে চারটি ডিও’র মাধ্যমে ফিশ হোম লিমিটেডের রপ্তানিযোগ্য চিংড়ি মাছ কৃষি ব্যাংকের চা বোর্ড শাখায় বন্ধক থাকাবস্থায় দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৪৮ হাজার ৮৭০ কেজি চিংড়ি মাছ গুদাম থেকে বের করে বিক্রি করে দেয়। ১৯৯৩ সালের ৩ থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে এই ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি। এই ঘটনায় সাহেদ হাসানের পরের ব্যবস্থাপক আকিকুর রহমান একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা করেন

দুদক আইনজীবী মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিচারক রায়ে পলাতক চার আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড, ৬০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ৬০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। তাঁদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে এ অর্থ সংগ্রহের জন্য জেলা কালেক্টরকে নির্দেশ দেন আদালত।

দুদকের আইনজীবী জানান , ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।

আদালত সংশ্ল্ষ্টি সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। এর আগে ১৯৯৮ সালের ১৫ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক তারাপদ শিকদার।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত