টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

অতিরিক্ত মালবোঝাই ছিল বিধ্বস্ত কার্গো বিমানটি!

bimanচট্টগ্রাম, ০৯ মার্চ (সিটিজি টাইমস) :: কক্সবাজারের বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত কার্গো বিমানটি অতিরিক্ত মালবোঝাই ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি জরুরি নির্গমন (‘ইমার্জেন্সি এক্সিট’) ব্যবস্থাও পোনার বাক্স দিয়ে বদ্ধ ছিল বলে জানা গেছে।

বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার দূর সাগরে ওই দুর্ঘটনায় তিন পাইলট নিহত হন। আহত একজন পাইলটকে উদ্ধার করে প্রথমে সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকায় নেয়া হয়।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সাধন কুমার মোহন্ত বলেন, পোনা বোঝাই করে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে রওয়ানা দিয়ে নাজিরারটেকের অদূরে গিয়ে বিধ্বস্ত হয় বিমানটি।

জানা যায়, কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের মিনিট কয়েকের মধ্যে ট্রু এভিয়েশনের ‘ব্লু ভিশন-২৬’মডেলের কার্গো বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

বিমানবন্দরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, বিমানটিতে অতিরিক্ত ১২০০ বাক্স পোনা ছিল। এমনকি ‘ইমার্জেন্সি এক্সিট’দরজার কাছেও পোনার বাক্স ঠেসে রাখা হয়। এ কারণে বিমানটি দুর্ঘটার শিকার হয়ে থাকতে পারে।

ওই ব্যক্তির মতে, বিমানটি সাগরে পড়ে যাওয়ার পর ‘ইমার্জেন্সি এক্সিট’ খোলা না পাওয়ায় হয়তো আরোহীরা সময়মতো বের হতে পারেননি।

ওই কার্গো সার্ভিসটি পরিচালনা করতেন মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক।

বিকেল সাড়ে চারটায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিধ্বস্ত কার্গো বিমানটি উদ্ধারে অভিযান চলছে। অভিযানে কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে শতাধিক স্থানীয় লোক অংশ নিয়েছেন।

মতামত