টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আজ উদ্বোধন মিরসরাই ইকোনমিক জোনের

58চট্টগ্রাম, ২৮ ফেব্রুয়ারি (সিটিজি টাইমস) :চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের ইছাখালীর চরে দেশের বৃহত্তম ইকোনমিক জোনের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ বিশাল প্রকল্প কাজের উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) মীরসরাইসহ সারাদেশে ১০টি বিশেষ অর্থনৈতিক জোন বাস্তবায়ন করছে।

এ উপলক্ষে ইছাখালীতে ইকোনমিক জোনে বিশাল সুধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল শনিবার সর্বশেষ প্রস্তুতি পরির্দশন করেছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

চট্টগ্রম নগরী থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল। মিরসরাইয়ে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১২২২টি শিল্পপ্লট তৈরি করা হবে। এসব প্লটে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠলে কমপক্ষে ১০ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইকোনোমিক জোন (বেজা)।

বঙ্গোপসাগরের পাড় ঘেঁষে এ চরাঞ্চলে চলছে বিশাল কর্মযজ্ঞ। এখানে নির্মিত হবে ছোট-বড় ১২শ’র বেশি শিল্প কারখানা। থাকবে বন্দর জেটি সুবিধা, বিদ্যুকেন্দ্র, ট্যুরিজম পার্কসহ নানা সুযোগ-সুবিধা। অর্থনৈতিক অঞ্চলকে ঘিরে পুরো মিরসরাইয়ে এখন থেকেই পরিলক্ষিত হচ্ছে প্রাণচাঞ্চল্য।

মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী জানান, উদ্বোধন উপলক্ষে ইকোনমিক জোনে বিশাল জনসভার আয়োজন হয়েছে। এতে প্রায় ১০হাজার লোকের সমাগম ঘটবে। প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন মিরসরাই ইকোনমিক জোনের স্বপ্নদ্রষ্টা গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। তিনি ইছাখালীর শিল্পজোনকে মোশাররফ নগর নামকরণ করার দাবী জানিয়েছেন।

ইকোনমিক জোন বাস্তায়নকারী প্রতিষ্ঠান বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী জানান, সরকারি উদ্যোগে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে মিরসরাইয়ে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিরসরাইয়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলটি হবে ইছাখালী চরের ৭ হাজার ৭১৬ একর জমিতে। এতে এক হাজার ২২২টি কারখানার প্লট তৈরি করা হবে। তা ছাড়া এরই মধ্যে চরে জেগে ওঠা ১৫ হাজার একর জমির মধ্যে প্রথম অবস্থায় চারটি মৌজায় ৬৩৯০ দশমিক ৯৬৭০ একর জায়গারও উন্নয়ন কাজ চলছে। এর মধ্যে পীরের চর এলাকায় আছে ১৩৯০ দশমিক ৪৩১৬ একর, সাধুর চর এলাকায় আছে ১৬৬৪ দশমিক ১০৩৯ একর, শিল্প চর এলাকায় ১৮৫২ দশমিক ৫৩৮৫ একর ও মোশাররফ চর এলাকায় ১৫০৪ দশমিক ২৯৩০ একর। এটির প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১০ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রায় ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত