টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ক্ষমা না চাইলে সম্পর্ক নয়: পাকিস্তানকে ১৪ দল

aচট্টগ্রাম, ১৫ ফেব্রুয়ারি (সিটিজি টাইমস) : অব্যাহত কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের জন্য ক্ষমা না চাইলে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের দাবি জানিয়েছে ১৪ দলের নেতাকর্মীরা।

সোমবার বিকাল চারটায় পাকিস্তানের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে ১৪ দল আয়োজিত মানববন্ধনে নেতাকর্মীরা এ দাবি জানান। রাজধানীর গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। বিকাল পাঁচটায় মানববন্ধন শেষ হয়।

মানববন্ধনে নেতাকর্মীরা তাদের দাবির পক্ষে পাকিস্তান ও খালেদা জিয়া বিরোধী নানা ধরনের শ্লোগান দিতে থাকে। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বাংলাদেশে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা ও পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্যতার জন্য খালেদা জিয়ার বিচার দাবি করেন তারা। মানববন্ধনে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল চারটায় ঢাকা ছাড়া দেশের সব জেলায় বিকাল চারটা থেকে এক ঘণ্টা মানববন্ধন করার ঘোষণা দেয়া হয়।

এর আগে মানববন্ধনে অংশ নিতে ১৪ দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী জড়ো হয়।

ইতিপূর্বেই মানববন্ধনের রুট ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত রুট অনুযায়ী রাজধানীতে কোন থানার নেতৃত্ববৃন্দ কোথায় থাকবেন তা নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

গাবতলী থেকে শ্যামলী পর্যন্ত এলাকায় মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন, মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ মল্লিক, মো. মিজবাউদ্দিন সিরাজ, ড. হাছান মাহমুদ, জাসদের শিরিন আকতার প্রমুখ।

শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট হয়ে ২৭নং সড়ক পর্যন্ত এলাকায় মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আজম, ওয়ার্কার্স পার্টির আমিনুল ইসলাম গোলাপ প্রমুখ।

২৭নং সড়ক থেকে রাসেল স্কয়ার পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্বে ছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শ্রী সতীশ চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা প্রমুখ।

রাসেল স্কয়ার, গ্রিন রোড স্কয়ার হয়ে বসুন্ধরা মার্কেট পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবদুস সোবহান গোলাপ, জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি,ওয়ার্কার্স পার্টির এনামুল হক এমরান প্রমুখ।

বসুন্ধরা সিটি শপিং মল থেকে সোনারগাঁও হোটেল পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক আ হ ম মোস্তফা কামাল, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, ন্যাপের অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

সোনারগাঁও হোটেল মোড়, বাংলামোটর, রূপসী বাংলা হোটেল হয়ে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, মো. একেএম রহমত উল্লাহ এমপি, ন্যাপের অ্যাড. রুহুল আমিন প্রমুখ।

শাহবাগ মোড় থেকে মৎস্য ভবন পর্যন্ত এলাকায় মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, বীর বাহাদুর, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন,সাম্যবাদী দলের পলিট ব্যুরোর সদস্য কমরেড প্রদ্যুত কুমার ফণি প্রমুখ।

মৎস্য ভবন থেকে প্রেসক্লাব হয়ে পল্টন মোড় পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, আবুল মাল আবদুল মুহিত এমপি, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সাম্যবাদী দলের আবু হামেদ সাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

পল্টন মোড় থেকে নূর হোসেন স্কয়ার হয়ে গুলিস্তান মোড় পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি, মেজর জেনারেল (অব.) কে এম শফিউল্লাহ, ডা. দীপু মণি, আসাদুজ্জামান নূর এমপি, সাম্যবাদী দলের লুৎফর রহমান প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু স্কয়ার থেকে ইত্তেফাক মোড় পর্যন্ত এলাকায় মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ, মাহবুবউল আলম হানিফ, আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা প্রমুখ।

ইত্তেফাক মোড় থেকে রাজধানী মার্কেট পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, ন্যাপের পার্থ মজুমদার, গণতন্ত্রী পার্টির মাহমুদুর রহমান বাবু প্রমুখ।

রাজধানী মার্কেট থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত এলাকায় নেতৃত্ব ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম, ড. মশিউর রহমান, নূরুল ইসলাম নাহিদ, জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির অ্যাড. শেখ আলাউদ্দিন প্রমুখ।

সায়েদাবাদ থেকে যাত্রাবাড়ী এলাকায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, ফরিদুন্নাহার লাইলী, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, নসরুল হামিদ বিপু, ন্যাপের তাজুল ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টির অ্যাড. রফিক উদ্দিন প্রমুখ।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত