টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ভালবাসা দিবসে রাঙ্গুনিয়া শেখ রাসেল এ্যাভিয়ারি পার্কে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড়

আব্বাস হোসাইন আফতাব 
রাঙ্গুনিয়া  প্রতিনিধি 

Ranguniaচট্টগ্রাম, ১৪ ফেব্রুয়ারি (সিটিজি টাইমস) :  বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা শেখ রাসেল এ্যাভিয়ারী পার্ক তরুন তরুণীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেড়াতে আসা তরুন তরুণীর পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী পর্যটকদের পদভারে মুখর ছিল দেশের এই প্রথম পক্ষীশালাটি। চট্টগ্রাম জেলাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে গাড়ীর বহর নিয়ে পার্কের অভ্যর্থনা ফটকে উপচে পড়া ভীড় লেগে যায়। শহরের ব্যস্ততা ছেড়ে কোলাহল মুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে নিজের প্রিয়জনের সাথে আনন্দ উচ্ছ¡াসে নিজেকে মাতাতে ছুটে আসে তরুন তরুনীসহ বিভিন্ন বয়সের পর্যটকরা। দিনব্যাপী পার্কের বিভিন্ন স্পটে পর্যটকদের সরব উপস্থিতিতে ভালবাসা দিবসের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দেখা যায়।

পার্কের অন্যতম আকর্ষন দীর্ঘতম ক্যাবল কারে উঠার জন্য পর্যটকদের ভীড় ছিল চোখে পরার মতো। এছাড়াও পার্কের ময়ুর খাচা, øেকস সপ, কৃত্রিম গোহা, রুপিং শেড, রোপওয়ে টাওয়ার-৬, বার্ড এ্যাভিয়ারী, বৃহত্তম লেক, কৃত্রিম লেক, পেলিক্যান এ্যাভিয়ারী, ব্রিজ এন্ড আইল্যান্ড এসব স্পটগুলোতেও পর্যটকদের ভীড় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লেগে ছিল।

পার্কের প্রবেশ ধারে অভ্যর্থনার দায়িত্বে থাকা মো. ফোরকান জানান, অন্যান্য দিনের চেয়ে পার্কে পর্যটকদের ভীড় ছিল চোখে পরার মত। অভ্যর্থনা ফটকে প্রবেশের টিকেট সংগ্রহ করার জন্য রীতিমত ভীড় লেগে যায়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের পর্যটকদের উপস্থিতিতে পুরো পার্ক আনন্দ মুখর হয়ে উঠে।

ক্যাবল কারের দায়িত্বে থাকা উপ সহকারী প্রকৌশলী পবিত্র বিজয় বড়ুয়া জানান, ক্যাবল কারে উঠতে অন্যান্য দিনের চাইতে ভালবাসা দিবসে আজ বেশি ভীড় ছিল। ক্যাবল কারের অপারেটর মো. আব্দুল রানা জানান, ক্যাবল কারে পর্যটকদের ভীড় সামলাতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজ থেকে শেখ রাসেল এ্যভিয়ারি পার্ক বেড়াতে আসা শিক্ষার্থী বদিউল আলম ও রুবিনা মাহফুজ শম্পা জানান, ভালবাসা দিবসের এই বিশেষ দিনকে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে কাটানোর জন্য এই পার্কে ছুটে আসা। পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে নিজেকে মুগ্ধ করেছে। পার্কের নানা জাতের পাখির কিচির মিচির ময়ুরের নাচানাচি দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দয্যে গড়ে ওঠা পার্কের বিভিন্ন স্পট খুবই আকর্ষনীয় ছিল। স্বপরিবারে ক্যাবল কারে উঠতে আসা পারুয়া এলাকার বাসিন্দা জহুরুল ইসলাম জানান, ক্যাবল কারে চড়ার আনন্দই আলাদা। কেবল কারের ক্যাবিনে বসে উপর থেকে গুমাই বিলের প্রাকৃতিক সৌন্দয্যে ও পার্কের মনোরম দৃশ্যগুলো যে কাউকে সহজে আকৃষ্ট করবে।

চন্দ্রঘোনা শেখ রাসেল এ্যাভিয়ারী পার্কের ইনচার্জ অভিজিৎ কুমার বড়ুয়া জানান, ভালবাসা দিবস উপলক্ষে অন্যান্য দিনের চাইতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীড় ছিল। ভীড় সামলাতে দিনভর কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও শেখ রাসেল এ্যাভিয়ারী পার্কের পরিচালক বিপুল কৃষ্ণ দাশ জানান, পার্কে পর্যটকদের আনন্দ দেওয়ার জন্য সকল ব্যবস্থায় আমরা গ্রহন করি। বিশেষ করে রোপওয়েতে চড়ার জন্য পর্যটকদের বেশি আকর্ষন করেছিল।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত