টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘বাংলাদেশে পাকিস্তানি ভাবধারা রুখে দেবে তরুণরা’

moচট্টগ্রাম, ০৮ ফেব্রুয়ারি (সিটিজি টাইমস) :: ইতিহাসকে যারা বিকৃত করেছে তারা আজ সবচেয়ে বেশি ঘৃন্যতম সভ্যতা বিরোধী অপশক্তি। বাংলার মাটি থেকে তাদের অস্তিত্ব অবশ্যই নির্মূল করতে হবে বলে মনে করেন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও লেখক অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন।


সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর ডিসি হিল প্রাঙ্গণে ২২ দিনব্যাপি অমর একুশে বইমেলা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।


অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন বলেন, ভাষা-সংস্কৃতির ঐতিহ্যের স্বীকৃতিতে বাঙালি ও বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর অন্যতম মর্যাদাবান শক্তি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করে রাজনৈতিক দর্শন বাঙালি জাতীয়তাবাদী ভাবধারার সূচনা করেছেন এবং বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন জাতিসত্তার বীজ বপন করেছেন। আমাদের নতুন প্রজন্মকে জ্ঞান-বিজ্ঞান-ইতিহাস-ঐতিহ্যের চেতনায় সম্পৃক্ত করতে হবে এবং ইতিহাস বিকৃতির পাপ থেকে দায়মুক্ত করতে হবে।


সভাপতির ভাষণে মেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য্য প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজিম আরিফ বলেন, পৃথিবীর ৬ হাজার ভাষার মধ্যে বাংলা প্রথম ১০টি ভাষার মধ্যে একটি। আজ ৩০ কোটি মানুষের মাতৃভাষা বাংলা ভাষা। এই বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশ বাঙালির অস্তিত্বের শিকড়। এই শিকড় থেকে যদি আমরা বিচ্যুত হই আমাদের আপন পরিচয় মুছে যাবে।


২৪তম অমর একুশে বইমেলা ও একুশে মেলা উদ্যাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্কৃতিকর্মী খোরশেদ আলম ঘোষণাপত্র পাঠ করে বলেন, মহান অমর একুশ বাঙালিকে মাতৃমুক্তিপণে দীক্ষিত করেছে। এই দীক্ষাই আমাদের প্রধান আত্মশক্তি।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা মো; সাহাব উদ্দিন, বীর মু্িক্তযোদ্ধা ও সাংবাদিক বালাগাত উল্লাহ, দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সাংবাদিক সৈয়দ উমর ফারুক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল হালিম দোভাষ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, কেন্দ্রীয় যুুবলীগের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান ফেরদৌস প্রমুখ।


আলোচনা সভার আগে জাতীয় সঙ্গীত ও বেলুন উড়িয়ে ২২ দিনব্যাপী অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেন অধ্যাপক মুনতাসিনর মামুন সহ অতিথি। এবারের মেলায় বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা সহ ৪০টি বই বিপণন স্টল অংশগ্রহণ করছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত