টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ৯০ ভাগই এখন নিজস্ব অর্থায়নে

চট্টগ্রাম, ২৭ জানুয়ারি (সিটিজি টাইমস) :  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় নেতৃত্বে আমাদের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী অবস্থানে। এখন দেশের উন্নয়নের ৯০ ভাগই আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ পদ্মাসেতু একটি নতুন জিনিস- নীচ দিয়ে ট্রেন যাবে এবং উপর দিয়ে যানবাহন যাবে। সততার কারণে আমরা এতোদূর এগিয়ে চলেছি। সততাই আমাদের একমাত্র শক্তি আর সততাই আমাদের সাহস।’

বুধবার বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে সাংসদদের সম্পূরক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘শিক্ষাই আমরা একমাত্র সম্পদ। শিক্ষার মেধা দিয়েই দেশ ও জাতির সেবা করে যাবো। আমার ছেলেকে বলেছি। তোমার শিক্ষার মেধা জাতির মাঝে বিলিয়ে দাও।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চালনের লক্ষ্যে সরকারের গৃহিত পদক্ষেপের মধ্যে অনতম হচ্ছে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প।’

বাংলাদেশ অর্থনীতিতে কোন অবস্থানে আছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান সংরক্ষিত সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের উন্নয়নের ৯০ ভাগ নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে। সম্প্রতি নিউইয়র্ক ভিত্তিক আর্থিক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশ। বছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৬ শতাংশ।’

বিগত মেয়াদ থেকে বর্তমান মেয়াদ পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন গৃহীত কর্মসূচিগুলো তুলে ধরে শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘বিগত সাত অর্থবছরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে সামষ্টিক অর্থনীতির প্রধান বিষয় মোট দেশজ আয় প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, কর্মসংস্থান, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি হ্রাস এবং সামাজিক খাতের দারিদ্র নিরসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু নিরাপত্তায় অগ্রগতি এবং খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে আমাদের সাফল্য অভূতপূর্ব। সঙ্কটের জাল ছিন্ন করে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।’

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান পদ্মাসেতু বাস্তবায়নে কোনো বিদেশি আর্থিক সহযোগিতা গ্রহণের পরিকল্পনা সরকারের আছে কি না? এমন সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মাসেতু নির্মাণ প্রকল্পটির দ্বিতীয় সংশোধিত ডিপিপি গত ৫ জানুয়ারি একনেক সভায় ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা সম্পূর্ণ জিওবি অর্থায়নে আগামী ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের ডিসেম্বর (২০১৫) পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৯২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রকল্প শুরু থেকে ডিসেম্বর (২০১৫) পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত ব্যয় ৯ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা।

মতামত