টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

রিয়াজউদ্দিন বাজার: সিন্দুক খুলতেই সোনা আর সোনা

fileচট্টগ্রাম, ২৬ জানুয়ারি (সিটিজি টাইমস) : চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজারের বাহার মার্কেট থেকে জব্দ করা তিনটি সিন্দুক খোলা হয়েছে। এরমধ্যে একটি সিন্দুক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৫০ পিস স্বর্ণের বার। আরেকটিতে পাওয়া গেছে নগদ ৬০ লাখ টাকা। তবে, তৃতীয় সিন্দুকটিতে কিছু পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জব্দ করার পর নগরীর কোতোয়ালি থানায় পাঠানো হলে মধ্যরাতেই সিন্দুক তিনটি  খোলা হয়।

এর আগে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর-দক্ষিণ) বাবুল আকতার। ‘

অভিযানে সহায়তা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমীন।

পুলিশ সূত্র জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যায় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বাহার মার্কেটের আশেপাশে ছদ্মবেশে অবস্থান নেন। পরে ষষ্ঠ তলার দুটি কক্ষ থেকে তিনটি সিন্দুক উদ্ধার করা হয়। ওই দুটি কক্ষ জুতার গুদাম হিসেবে ভাড়া নেয়া হয়। সিন্দুক তিনটির ওপর জুতার বাক্স ছিল। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীনের উপস্থিতিতে গ্যাস কাটার দিয়ে দরজা কেটে তারা কক্ষের ভেতরে ঢুকেন। কক্ষটিতে সিসি ক্যামেরার লাগানো আছে। ধারণা করা হচ্ছে সিন্দুকের রুমে অভিযান চালানোর ফুটেজ দেখেই জড়িতরা পালিয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, অবৈধভাবে স্বর্ণ মজুদ করে রাখা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাহার মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় একটি জুতার গুদাম থেকে তিনটি সিন্দুক জব্দ করা হয়। প্রাথমিক ভাবে গ্যাস কাটার দিয়ে ওই সিন্দুক গুলো খোলা না যাওয়ায়, সিন্দুক তিনটি কোতোয়ালি থানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। পরে মধ্যরাতে তিন সিন্দুক খুলে এর একটিতে ২৫০টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়, যার প্রতিটির ওজন ১০ ভরি। আরেকটি সিন্দুকে ৬০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে, যা এক হাজার টাকার নোটের ৬ টি বান্ডিলে পাওয়া যায়। তবে একটি সিন্দুকে সোনা বা টাকা ছিল না।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (উত্তর-দক্ষিণ) বাবুল আকতার বলেন, স্বর্ণ চোরাচালানের বড় ও সংঘবদ্ধ একটি সিন্ডিকেট স্বর্ণ ও অর্থ এনে ওই গুদামে মজুদ করে রেখেছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই সিন্দুক তিনটি জব্দ করে স্বর্ণ ও নগত অর্থ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। আবু আহমেদ নামে একজন এ সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছে। তামাকুমুন্ডি লেনের ওই ভবনের ষষ্ঠ তলার চার নম্বর কক্ষটি জুতা ও ব্যাগের গুদাম হিসেবে ব্যবহারের জন্য ভাড়া নিয়েছিলেন তারা।

মতামত