টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

“দখল ও দূষণ থেকে বাঁচাতে না পারলে কর্ণফুলী হবে বুড়িগঙ্গা “

picচট্টগ্রাম, ১৬ জানুয়ারি (সিটিজি টাইমস) :  নদ নদীর নাব্যতা এবং নদীর স্বাভাবিক গতি প্রবাহ অব্যহাত রাখা সংক্রান্ত নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের জাতীয় টাস্কফোর্সের চট্টগ্রামে শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

একই সাথে জাতীয় বিভাগীয় নদী কমিশনের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকেগুলোতে বক্তারা বলেন, “দখল ও দূষণ থেকে বাঁচাতে না পারলে কর্ণফুলীর দশাও বুড়িগঙ্গার মতো হবে আর নাব্যতা হারিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর বন্ধ হয়ে যাবে।

দেশের নদ-নদীর নাব্যতা এবং নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ অব্যাহত রাখা সংক্রান্ত নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্স কমিটির ৩০তম সভায় এ মত দেয়া হয়।

শনিবার সকালে নগরীর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত বৈঠক দুটিতে কর্ণফুলী নদীকে বাঁচাতে পিএস জরিপের ভিত্তিতে নদীর সীমানা নির্ধ রন এবং দখদারদের উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় নৌ পরিবহণ মন্ত্রী শাহজাহান খান, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিস্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভায় গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, নদী পাড়ের দখলদারদের উচ্ছেদের পর তারা আবার সরকারকে চ্যালেল্ঞ্জ চুঁড়ছে। এ ব্যাপারে তিনি সরকারি সংস্থাগুলোকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেন।

নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয়ের টাস্কফোর্সের বৈঠকে মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, “কর্ণফূলী নদী ও চট্টগ্রাম মহানগরীর খাল ও অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে যে কোন মূল্যে, তাদেরকে কোন ছাড় দেওয়া হবেনা।”

“দখল ও দুষণ মুক্ত করতে না পারলে কর্ণফূলীর অবস্থাও বুড়িগঙ্গার মত হবে, যদি তাই হয় তাহলে চট্টগ্রামের বন্দরের অস্তিত্ব ও হুমকির মুখে পড়বে, এই পরিস্থিতি থেকে কর্নফুলী নদীকে রক্ষা করতে হবে, উল্লেখ করেন শাহজাহান খান।

তিনি আরো বলেন, “চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য প্রাকৃতিক খালসমূহ দখল ও দূষণ মুক্ত করে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে, অন্যথায় যত প্রচেষ্টা নেয়া হোক না কেন চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন করা যাবেনা।”

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত