টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

আওয়ামী লীগ: কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার দৌড়ে চট্টগ্রামের পঞ্চাশজন

চট্টগ্রাম, ১৫ জানুয়ারি (সিটিজি টাইমস) :  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, নির্বাহী পরিষদ ও উপকমিটির সহ-সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান পেতে পারেন চট্টগ্রামের দলের প্রবীণ ও সাবেক ছাত্রনেতারা। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্নভাবে আলোচনায় উঠে আসছে অর্ধশতাধিক নেতার নাম। এবার দেশের পৌরসভা নির্বাচনসহ নানাভাবে সাংগঠনিক তত্পরতা বিবেচনায় এনেই এসব পদে আসতে পারেন বলে দলের কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে সব মিলিয়ে দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন বলে জানান কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতারা। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সম্মেলন আগামী ২৮ মার্চ। এবারের সম্মেলনে সভাপতি পদ ছাড়া সব কটি পদেই পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পদ হারাতেও পারেন বর্তমান কমিটির অনেক নেতা। শনিবার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণের পর কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই পেতে লবিং-তদবির শুরু করেছেন পদপ্রত্যাশী নেতারা। প্রতিবারের মতো এবারও চট্টগ্রামের বেশ কজন নেতা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিষদ ও উপকমিটির সহ-সম্পাদক পদ পাবেন। এসব পদে সব কিছু বিবেচনা করে স্থান পাওয়ার বিষয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে মুখে মুখে আলোচনায় আছেন চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক নেতা। পদগুলোতে আসতে পারেন এমন আলোচনা রয়েছে বর্তমান প্রতিমন্ত্রী, প্রবীণ শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রনেতাদের নাম। এতে চট্টগ্রামের পৌরসভা নির্বাচনে বিভিন্নভাবে দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণাসহ কাজ করেছেন, দলে সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে ছিলেন এমন নেতারা স্থান পেতে পারেন বলে দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। ইতিমধ্যে এসব নেতা গণভবনে যাওয়া-আসাও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ, নির্বাহী পরিষদ ও উপকমিটির সহ-সম্পাদকের গুরুত্বপূর্ণ পদে স্থান পেতে বা আলোচনায় আছেন এমন নেতাদের মধ্যে রয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদে সাবেক গণপরিষদ সদস্য মো. ইসহাক মিয়া, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান, বৌদ্ধধর্মীয় নেতা ড. প্রণবকুমার বড়ুয়া ও সাবেক এমএনএ আবু ছালেহ। ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বীর বাহাদুর, সদস্যপদে আমিনুল ইসলাম আমিন, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফলসহ। অন্যদিকে উপকমিটির সহ-সম্পাদক পদেও কমপক্ষে ৩০ জন নেতা আসতে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব বিষয়ে কেউ কথা বলতে না চাইলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা বলেন, উপদেষ্টা পরিষদ, নির্বাহী পরিষদ পদে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। এ ছাড়া উপকমিটির সহ-সম্পাদক পদে অনেক নতুন মুখ আসতে পারে। তবে এসব কমিটিতে স্থান দেওয়ার বিষয়টি দেখভাল করেন শুধু দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার বিষয়সহ সব কিছু বিবেচনা করবেন তিনিই। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক এম এ সালাম বলেন, কমিটি গঠনের যখন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আলোচনায় অনেকের নাম আসবে। আওয়ামী লীগ একটি বড় সংগঠন এখানে পদে আসতে প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে কমিটি গঠনের সম্পূর্ণ এখতিয়ার নেত্রীর হাতেই। একই কথা বললেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ উপকমিটির সহ-সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন।

সুত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত