টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

ফটিকছড়িতে মূলার ফলনে কৃষকের হাসি, দাম নিয়ে হতাশা

মীর মাহফুজ আনাম
ফটিকছড়ি প্রতিনিধি

fatickchari(moola)চট্টগ্রাম, ০৫  জানুয়ারি (সিটিজি টাইমস) : ফটিকছড়িতে মূলার বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে হতাশ কৃষকরা। ফটিকছড়ির উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া হালদার চর জুড়ে এখন মূলা আর মূলা। যেখান থেকে প্রতিদিন যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। হালদা ও ধুরুং খালে চর ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মূলার ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরে হতে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ফটিকছড়িতে এবার ৯৫ হেক্টর জমিতে মূলার চাষ হয়েছে। গেল বছর হেক্টর প্রতি ১৭ মেট্রিকটন মূলা উৎপাদন হয়েছে। যা ছিল লক্ষ্যমাত্রার অধিক।

এবারো লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লিটন দেব নাথ।

উপজেলার কুম্ভারপাড়া হালদার চর, নাজিরহাট চঁরগাও পাড়া চর, পাঁচ পুকুরিয়া চর ও সমিতিরহাট এলাকায় হালদার চর মূলা চাষে বিশেষ উপযোগী হওয়াতে প্রতি বছর এ এলাকায় মূলার বাম্পার ফলন হয়ে আসছে বলে কৃষিবিদদের মন্তব্য। এছাড়া উপজেলার কাঞ্চননগর, দৌলতপুর, রোসাংগিরী, নারায়নহাট, রোসাংগিরী, খিরাম, লেলাং এলাকায় মূলার ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লিটন দেব নাথ আরো জানান, এ অঞ্চলের কৃষকরা তাশাকৃষাণ, বারি-২(পিংকী), ও দেশীয় জাতের মূলার চাষাবাদ করে থাকেন।

এদিকে উপজেলার বৃহৎ বাজারগুলো পরিদর্শন করে দেখা যায়, বাজারে বিশাল বিশাল মূলার স্তুপ। বিশেষ করে নাজিরহাট বাজার সংলগ্ন মেডিকেল রাস্তার মাথায় চট্টগ্রাম শহরের পাইকারদের সবজি ক্রয়স্থল। যেখানে প্রতিদিন ভোর সকালে পাইকারদের ভিড় থাকে। উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কৃষকরা এখনে সবজি নিয়ে আসে পাইকারদের কাছে বিক্রয়ের জন্য।

মূলা বিক্রয় করতে আসা কৃষক মো.ইউছুফ বলেন, ফলন ভালো হলেও দাম নিয়ে খুব হতাশায় আছি। কেজি প্রতি ৩ থেকে ৪ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অনেক সময় পরিবহন খরচসহ মেঠানো সম্ভব হয়না।

কাঞ্চন নগরের চাষা আবদুল জলিল বলেন, দাম কম তাই এখন বিক্রি না করে সামনে আসন্ন মাইজভান্ডারে ওরশে বিক্রি করার জন্য রেখে দিচ্ছি।
উলে­খ্য, আগামী ২১-২৩ জানুয়ারী মাইজভান্ডার দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে আহমদ উল­াহ (ক.) প্রধান ওরশ। যেখানে মূলার একটি বিশেষ কদর রয়েছে।

মতামত