টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

রোববার থেকে কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন চবির শিক্ষরা

চট্টগ্রাম, ৩০ ডিসেম্বর (সিটিজি টাইমস): অষ্টম বেতন কাঠামোয় ‘দাবি পূরণ না হওয়ায়’ ৩ জানুয়ারি থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষকরা।

বুধবার চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল মনছুর গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, বেতন কাঠামোর গেজেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাদ দিয়ে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা কমানো হয়েছে।

“সিনিয়র সচিবদের জন্য যে সুপার গ্রেড সৃষ্টি করা হয়েছে এতে সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্ত অধ্যাপকদের মধ্য থেকে একটি অংশকে উন্নীত করার আশ্বাসেরও প্রতিফলন হয়নি।

“তাই চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় ৩ জানুয়ারি থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সময়ে শিক্ষকরা কোন ক্লাস-পরীক্ষা নেবেন না এবং কোন প্রশাসনিক কার্যক্রমও করবেন না।”

গত ৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বেতন কাঠমোর গেজেটে বাস্তবায়ন হয়নি বলেও দাবি তার।

“অর্থমন্ত্রী আমাদেরকে শিক্ষকদের বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা না কমানোর এবং সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বহাল রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হচ্ছি।”

সব গ্রেডের বেতন দ্বিগুণ বাড়িয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর সরকারি কর্মচারীদের জন্য অষ্টম বেতন কাঠামোর গেজেট জারি হলেও দাবি পূরণ হয়নি বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।

টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করে নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করায় অষ্টম বেতন কাঠামোকে ‘অবমাননাকর’ ও ‘বৈষম্যজনক’ দাবি করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এনিয়ে আপত্তি জানিয়ে আন্দোলনেও নেমেছিলেন।

সর্বশেষ গত ২৭ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ‘দাবি পূরণ না হলে’ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেন।

বিশ্ববিদালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পাশাপাশি বেতন কাঠামো সংশোধনের দাবিতে বিভিন্ন সময় মানববন্ধন, কর্মবিরতি, অবস্থান ধর্মঘট ইত্যাদি পালন করেছেন চবি শিক্ষকরা।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত