টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

রাঙ্গুনিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাইল ফলক

আব্বাস হোসাইন আফতাব
রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি

Rangunia-s-sarok-pic-চট্টগ্রাম, ১৭ ডিসেম্বর (সিটিজি টাইমস): রাঙ্গুনিয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন মাইল ফলক রচিত হতে যাচ্ছে। সরফভাটা-কালুরঘাট-চরনু›দ্বীপ ভান্ডালজুড়ি সড়কের নির্মান কাজ দ্রæত এগিয়ে চলছে। সরফভাটা এলাকায় উপজেলার বৃহৎ সড়ক নির্মান কাজের অর্থায়ন করছেন বিশ্ব ব্যাংক। দীর্ঘ সাড়ে ৬ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে নির্মান চলছে ব্রীজ কালভার্ট। কার্পেটিংয়ের জন্য সড়কের মাটি কেটে ভরাট করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ন স্থানে চলছে রাস্তা পাইলিংয়ের কাজ। পুরো সড়কজুড়ে নির্মান কাজের শ্রমিকরা সড়ক নির্মানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ১৪ কোটি ব্যয়ে নির্মানাধীন সড়কটি সরফভাটা ইউনিয়নের গোডাউন কর্ণফুলি ব্রীজ থেকে ইত্যাদি চত্বর হয়ে আশকর আলী রোড, সোনা গাজী পাড়া. মাওলানা গ্রাম হাজারী খীল, মীরের খীল, সরফভাটা নারিশ্চা জৈষ্টপুরা আশ্রয়ন প্রকল্প গিয়ে সড়কটি শেষ হবে। ৯ কিলোমিটার সড়কে ৩টি পাইলিং ব্রীজ, ৩৪ টি বক্স কালভার্ট নির্মিত হচ্ছে। ২৪ ফুট প্রশস্ত সড়কটি নির্মানকাজ এ বছরের ১৫ জুন শুরু হয়েছে। ২০১৬ -২০১৭ অর্থ বছরে কসড়কের কাজ শেষ হবে।

সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল ইসলাম সরফি জানান, দীর্ঘদিন যাবত সরফভাটার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত ছিল। উন্নয়নের রূপকার ড. হাছান মাহমুদ এমপি’র ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় পুরো রাঙ্গুনিয়াসহ সরফভাটায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে সরফভাটা-কালুরঘাট-চর›দ্বীপ ভান্ডালজুড়ি সড়ক। বিশ্ব ব্যাংক থেকে সড়কটির বরাদ্দ আনতে ড. হাছান মাহমুদ এমপি অবদান অনস্বীকার্য। সড়কটির সম্পূর্ন নির্মান কাজ শেষ হলে বান্দরবান ,পদুয়া , কোদালা, শিলক, সরফভাটাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ সহজভাবে বোয়ালখালী হয়ে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম শহরে অতি সহজে যেতে পারবে।

সরফভাটা ইউপি সদস্য হোসনে আরা বেগম জানান, বর্ষাকালে এলাকার যাতায়ত ব্যবস্থা খুবই দুরুহ ছিল। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে মফস্বল এলাকায় এ ধরনের সড়ক নির্মান হবে কেউ কল্পনাও করেনি। এলাকার জনপ্রতিনিধির সহযোগিতায় সড়কটি এ উপজেলার উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

মীরের উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুন সিকদার জানান, দক্ষিন রাঙ্গুনিয়ার ৪ ইউনিয়নের লোকজনকে চট্টগ্রাম শহরে যেতে যে সময় লাগে এ সড়কটি নির্মিত হলে অর্ধেক সময়ে চট্টগ্রাম শহরে সহজে পৌঁছতে পারবে। ছাত্রছাত্রীদের যাতায়তেরও সুবিধা হবে এবং এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা প্রকৌশলী লিয়াকত আলী জানান, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি নির্মিত হচ্ছে। সড়কটির নির্মান কাজ করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম.আর কনষ্ট্রাকশন। আগামী ২০১৭ সালে সড়কটির নির্মানকাজ সম্পূর্ন শেষ হবে।

সড়ক নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মো. রাশেদ জানান, সড়কটির নির্মান কাজ দ্রæতগতিতে এগিয়ে চলছে। টেন্ডারের শিডিউল অনুযায়ী ২০১৭ সালে কাজটি শেষ হবে বলে তিনি জানান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মজুমদার জানান, সড়কটি উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বৃহৎ ভূমিকা রাখবে এবং যোগাযোগ সহজ হবে। এলাকার অথনৈতিক উন্নয়নে সড়কটি ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

মতামত