টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ পাকিস্তানি কূটনীতিকের বিরুদ্ধে

ফারিনাচট্টগ্রাম, ১৫ ডিসেম্বর (সিটিজি টাইমস):  ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানি এক কূটনীতিকের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠেছে। তার নাম ফারিনা আরশাদ। তিনি ঢাকার পাকিস্তান দূতাবাসে সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) হিসেবে কর্মরত আছেন। ঢাকার গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) এক নেতা ফারিনার সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টার বিষয়টি জানান। ম্যাজিস্ট্রেটকে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ওই জেএমবি নেতা ইদ্রিস শেখ জানান, ফারিনা ভারতে জাল নোট পাচার ও জঙ্গিদের অর্থ সরবরাহের কাজ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু দিন আগেই জাল নোটের কারবারি ও জঙ্গিদের কয়েকজনের সঙ্গে বৈঠক করার সময়ে পুলিশ পাকিস্তান দূতাবাসের এক কর্মীকে আটক করে। পরে তাকে ঢাকা থেকে ফিরিয়ে নেয় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, ২৯ নভেম্বর ঢাকার দুই জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ইদ্রিসসহ চার জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। গত দু’বছরে মোট ৪৮ বার পাকিস্তান গিয়েছে ইদ্রিস। ভারতেও তার যাতায়াত ছিল। ইদ্রিসের কাছ থেকে একটি ‘স্পাই মোবাইল’ মিলেছে। যার মাধ্যমে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্টসের (আইএসআই) কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে তিনি নিয়মিত যোগাযোগ ও তথ্য আদানপ্রদান করতেন। ফোনটিতে নিজের নম্বর বলে যে আন্তর্জাতিক নম্বরটি তিনি সেভ করে রেখেছিলেন তা আইএসআই কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ওয়াসিমের।

জবানবন্দিতে ইদ্রিস জানিয়েছেন, বাংলাদেশে তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন কূটনীতিক ফারিনা আরশাদ। তার মাধ্যমে জেএমবির কাছে দফায় দফায় টাকা আসত। একবার নিজে এসে তাকে টাকা দিয়ে গিয়েছিলেন ফারিনা। জেএমবির সঙ্গে ফারিনার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তিনি আরও বলেন, জাল নোটের কারবারিদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতেন ফারিনা। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় ঢাকা বিমানবন্দরে একবার এক পাচারকারী বিপুল পরিমাণ জাল ভারতীয় মুদ্রাসহ ধরা পড়ে যায়।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত