টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কক্সবাজারে দুই সন্ত্রাসীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা

las_1ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:
শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সহোদর জাহেদুল আলম সিফাত ও শহীদুল আলম আরফাত এর মৃতদের উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
ঈদগাঁও পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনহাজ মাহমুদ ভূঁইয়া বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহিম মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
৯ ডিসেম্বর বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কের হিমছড়ি ঢালার জঙ্গল থেকে সন্ত্রাসী সিফাত-আরাফাতের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তারা সহোদর, পেশায় সন্ত্রাসী ও কিলার। ‘সন্ত্রাসের জনপদ’ শহরের পাহাড়তলীর পাহাড়ে তাদের বসবাস। ওই এলাকার মোহাম্মদ আলম ওরফে ডাকাত আলমের ওদরে সিফাত-আরাফাতের জন্ম।
এলাকাবাসী জানায়, পিতার চরিত্র ধরেই বেড়ে ওঠে তারা। পাহাড়ী এলাকায় গড়ে তুলে নিজস্ব বাহিনী। অপহরণ, খুন, চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ সব অপরাধেই তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। প্রশাসনের তালিকায়ও সিফাত-আরাফাত ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আসামী।
তাদের সাথে সম্পর্ক কিছু প্রভাবশালীর। খাতির ছিল কিছু পুলিশ সদস্যের সাথেও। এ সুবাদে অনেক ছলচাতুরী করে আতœগোপনে থেকেছে দীর্ঘদিন। কিন্তু আর পারেনি। অবশেষে ‘অজানা গুলিতে’ অবসান ঘটলো সন্ত্রাসী সিফাত-আরাফাতের সন্ত্রাসের রাজত্বের। নিভে গেল চিহ্নিত এই দুই সন্ত্রাসীর প্রাণ।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আসলাম হোসেন বলেন, নিহত সিফাতের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা, ডাকাতি, নারী নির্যাতনসহ মোট ২২টি ও আরাফাতের বিরুদ্ধে ২০টি মামলা রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবত পলাতক থাকার কারনে প্রত্যেক মামলায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়াও এ দুই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে জেলার গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন দপ্তরে।

মতামত