টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

সীতাকুণ্ডে সুবিধাজনক অবস্থানে আওয়ামীলীগ, জামায়াত প্রার্থী লাপাত্তা, আশংকায় বিএনপি

মো. ইমরান হোসেন
সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি 

চট্টগ্রাম, ০৫ ডিসেম্বর (সিটিজি টাইমস):: গ্রেফতার আতঙ্কে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার জামায়াতের মেয়র প্রার্থী লাপাত্তা রয়েছেন। শুধু মেয়রই নয় দলটির কাউন্সিলর প্রার্থীরাও রয়েছেন আত্মগোপনে। গ্রেফতার আতঙ্কে আত্মগোপনে থেকেই মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতিনিধির মাধ্যমে তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে বরাবরের মতই সুবিধা অবস্থানে রয়েছে আওয়ামীলীগ যদিওবা সীতাকুণ্ডে মেয়র পদে আওয়ামলীগীদের ২জন রয়েছে বিদ্রোহ প্রার্থী। অপরদিকে আশংকায় আছে বিএনপি।

আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী ঘোষনা দেয়া হয় পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বদিউল আলমকে। তবে দলীয় প্রার্থী বদিউল আলমকে ঘোষনা করা হলেও বিদ্রোহ প্রার্থী রয়েছে ২ জন। একজন বর্তমান মেয়র আ.লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নায়েক (অব.) শফিউল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার ঘোষনা দিয়েছেন । অপরদিকে নাগরিক কমিটির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষনা দিয়েছেন পৌর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সিরাজ উদ দৌলা ছুট্ট। আওয়ামীলীগের এ ৩ নেতা স্ব-স্ব অবস্থান থেকে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

সীতাকুণ্ডে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়নের ছাড়া যারা বিদ্রোহ প্রার্থী রয়েছে তারা ১৩ ডিসেম্বরের আগে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিবেন এ আশা করছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

যদি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে সীতাকুণ্ডে আওয়ামীলীগের থাকবে একক প্রার্থী এবং নির্বাচনে আওয়ামলীগের মনোনীত প্রার্থীর জয়লাভ হবে বলে ১০০ ভাগ আশাবাদী দলের নেতারা।

অন্যদিকে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সীতাকুণ্ড পৌরসভা জামায়াতের আমির তৌহিদুল হক চৌধুরীর পক্ষে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তার স্ত্রী কামরুজ্জাহান। গত বৃহস্পতিবার রিটার্নিং কর্মকর্তা কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। তবে তৌহিদুল হক চৌধুরী সতন্ত্রপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেও আসছেন না জনসম্মুখে। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকায় আত্মগোপনে থেকে প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইফতেখার হাসান প্রতিবেদককে জানান, ‘সীতাকুণ্ডে নাশকতার ঘটনায় তৌহিদুল হকের বিরুদ্ধে ৩২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

এদিকে বিএনপিতে কোন বিদ্রোহ প্রার্থী না থাকায় সুবিধা অবস্থানে থাকলেও রয়েছে আশংকা। বিএনপির দলীয় প্রার্থী ঘোষনা দেওয়া হয় মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল মনছুরকে। তবে আশংকা রয়েছে জয়লাভ নিয়ে। জামায়াতের সতন্ত্র প্রার্থী থাকায় ভোটে এবং জয়লাভ নিশ্চিতে প্রভাব পড়বে বলে আশংকা করছে দলের নেতা-কর্মীরা।

তবে এমন আশংকাকে উড়িয়ে দিয়ে মেয়র প্রার্থী আবুল মুনছুর বলেন, জয়লাভে আমি আশাবাদি। জামায়াতের সতন্ত্র প্রার্থী থাকলেও ভোটে এর কোন প্রভাব পড়বে না।

জামায়াতের প্রার্থীতা নিয়ে মেয়র নির্বাচনে কোন প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি আসলাম চৌধুরী।

উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সভাপতি নুরুন নবী ভূঁইয়া বলেন, আমাকে দলের হাইকমান্ড থেকে পৌরসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দিয়েছে। আমিই দলের একক প্রার্থী।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত