টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বঙ্গোপসাগরে সফল মিসাইল উৎক্ষেপণ

merineচট্টগ্রাম, ৩০ নভেম্বর (সিটিজি টাইমস):: বঙ্গোপসাগরে সফলভাবে মিসাইল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীর বার্ষিক সমুদ্র মহড়া ‘সমুদ্র ঘূর্ণি-২০১৫’ সোমবার সমাপ্ত হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধান অতিথি হিসেবে নৌবাহিনী জাহাজ ‘বঙ্গবন্ধু` থেকে সমাপনী মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। এসময় নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল এম ফরিদ হাবিব উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে প্রধান অতিথি জাহাজে এসে পৌঁছালে কমান্ডার বিএন ফ্লিট রিয়ার অ্যাডমিরাল এম খালেদ ইকবাল এবং বানৌজা ‘বঙ্গবন্ধু’র অধিনায়ক ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর আদিল সামদানি তাকে স্বাগত জানান। এ সময় নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল জাহাজে প্রধান অতিথিকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন।

১৫ দিনব্যাপী মহড়ায় প্রত্যক্ষভাবে নৌবাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইনসুইপার, পেট্রোলবোট, গানবোট, মেরিটাইম পেট্রোল এয়ার ক্রাফট ও হেলিকপ্টার ছাড়াও নৌবাহিনীর সকল ঘাঁটি ও স্থাপনাসমূহ অংশগ্রহণ করে।

এছাড়া বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, সেনা ও বিমানবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাসমূহ এ মহড়ায় অংশগ্রহণ করে।

মোট তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত এ মহড়ায় নৌ বহরের বিভিন্ন কলাকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, লজিস্টিক অপারেশন, ল্যান্ডিং অপারেশন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত নৌ স্থাপনাসমূহের প্রতিরক্ষাসহ উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ মহড়ার মূল প্রতিপাদ্য ছিল সমুদ্র এলাকায় দেশের সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ, সমুদ্র সম্পদের হেফাজত, সমুদ্র পথের নিরাপত্তা বিধানসহ সমুদ্র পথে চোরাচালানরোধ, জলদস্যুতা দমন, উপকূলীয় এলাকায় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সমুদ্র এলাকায় প্রহরা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি যুদ্ধকালীন মহড়া।

এতে নৌবাহিনীর জাহাজসমূহ হতে সারফেস টু সারফেস মিসাইল, শোল্ডার লঞ্চড সারফেস টু এয়ার মিসাইল নিক্ষেপ, রকেট ডেপথ চার্জ (আরডিসি), সারফেস ফায়ারিং, ডিএলকিউ, ফ্লিট রিভিউ মহড়া, সোয়াডস টিমের ভিজিট বোর্ড সার্চ অ্যান্ড সিজার (ভিবিএসএস) মহড়া ও নৌ যুদ্ধের বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শন করা হয়।

মহড়া শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সফল মহড়ার জন্য চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের সকল কর্মকর্তা, নাবিক ও নৌসদস্যকে অভিনন্দন জানান এবং তাদের পেশাগত মান, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করেন।

প্রধান অতিথি বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি শক্তিশালী নৌবাহিনী গঠনে বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এ সময় তিনি বঙ্গোপসাগরে বর্ধিত সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে নৌবাহিনীর সক্রিয় ভূমিকারও প্রশংসা করেন।

নৌ মহড়ার সমাপনী দিনে অন্যান্যের মধ্যে উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ, নৌ সদর দফতরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ ও পদস্থ নৌ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত