টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

প্রেমিক-প্রেমিকাকে বিরক্ত করবে না পুলিশ!

indiaচট্টগ্রাম, ২৫  নভেম্বর (সিটিজি টাইমস)::  ভারতের মুম্বাইয়ে প্রেমিক-প্রেমিকাদের কোনও ধরনের বিরক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ।

গত আগস্ট মাসে পুলিশ প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পরও সম্প্রতি কয়েক জুটিকে বিরক্ত করায় সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে। এরপরই এ বিষয়ে জোরালো সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বুধবার বলা হয়, সম্প্রতি মুম্বাই পুলিশ অ্যাক্ট, ১৯৫১ এর ১১০ নম্বর ধারা অনুযায়ী পুলিশের অভিযানে হেনস্তা হতে হয় বেশ কয়েক যুগলকে। এরপরই ওই ধারা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তারা আর কোনও যুগলকে বিরক্ত করবে না।

মূলত প্রেমিক-প্রেমিকাদেরই বেশি হেনস্তার শিকার হতে হয় মুম্বাই পুলিশের হাতে। সবচেয়ে উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনাটি ঘটে আগস্টে। ওই সময় মুম্বাইয়ের হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে একাধিক যুগলকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এতে রীতিমতো বিতর্কের মুখে পড়তে হয় প্রশাসনকে।

ওই সময় পুলিশ কমিশনার রাকেশ মারিয়া এক নির্দেশনা দেন। যাতে বলা হয়, শুধুমাত্র পার্ক বা শপিং মলেই নয়, হোটেলে বা ফ্ল্যাটে ঢুকেও কোনো যুগলকে বিরক্ত বা তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবে না পুলিশ। নাগরিকদের ব্যক্তিগত জীবনের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুধুমাত্র যুগলদের ক্ষেত্রেই নয়, সাধারণ নাগরিককে কোনও ব্যবহার শেখাতে যাওয়া চলবে না বলেও নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার।

এনডিটিভি জানায়, গত সপ্তাহে পুলিশের এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে ১১০ নম্বর ধারা ব্যবহারের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়। তারা ওই ধারা ব্যবহার না করার ব্যাপারে মত দেন। ওই বৈঠকে ম্যাজিস্ট্রেটের পরোয়ানা ছাড়া কাউকে গ্রেফতার না করারও সিদ্ধান্ত হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ওই বৈঠকে উপস্থিত যুগ্ম কমিশনার দেবেন ভারতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, জনসম্মুখে কোনও প্রেমিক-প্রেমিকা যেকোন ধরনের কাজে ব্যস্ত থাকলে তাতে নাক গলানোর অধিকার পুলিশের নেই।

তিনি বলেন, এমনকি যদি তারা অসামাজিক কাজেও লিপ্ত থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র আইনি পন্থায় ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে কোনও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে পরামর্শ করতে হবে।

মতামত