টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

বাংলাদেশে পাক-ভারত সিরিজ!

spচট্টগ্রাম, ২২  নভেম্বর (সিটিজি টাইমস): পাকিস্তান-ভারত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে নাটকীয়তা চলছেই। নাটকের বর্তমানে দৃশ্যপট বাংলাদেশের দর্শকদের আনন্দিত হওয়ারই কথা। পাক-ভারত সিরিজ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হোক পাকিস্তান নাকি এমনটাই চাইছে।

আপাতত যা পরিস্থিতি, তাতে বাংলাদেশ বা শ্রীলঙ্কার মধ্যে কোনও একটা দেশে হতে পারে এই সিরিজ। সিরিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে ইতোমধ্যেই দুবাই পৌঁছে গিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট শশাঙ্ক মনোহর। বৈঠকে থাকবেন ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড প্রধান জাইলস ক্লার্ক এবং পাক বোর্ড প্রধান শাহরিয়ার খান।

এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশই সিরিজ করার ব্যাপারে এগিয়ে। পাকিস্তান বোর্ডও চাইছে, বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশেই সিরিজটা হোক। পাক বোর্ড মনে করছে, বাংলাদেশে সিরিজ হলে দর্শক বেশি হবে এবং সে ক্ষেত্রে ‘গেট মানি’ও বেশি পাওয়া যাবে।

এফটিপি অনুযায়ী, এবারের সিরিজটা পাকিস্তানেরই হোম সিরিজ। ভারতীয় বোর্ডকে সেই মতো প্রস্তাবও দেয়া হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে সংক্ষিপ্ত একটা সিরিজ হতে পারে। তবে কোনো টেস্ট ম্যাচ হবে না। আপাতত ঠিক আছে তিনটি ওয়ানডে এবং দুটি টি-২০ ম্যাচের সিরিজ হবে।

২০০৯ সালের পর থেকেই পাকিস্তানের ‘হোম সিরিজ’ হয়ে থাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। কিন্তু বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে, ভারত সরকার সেখানে গিয়ে ধোনি-বিরাট কোহলিদের খেলার অনুমতি দেবে না। পাকিস্তানকে ভারতে এসে খেলার আমন্ত্রণ জানিয়েছিল বিসিসিআই। কিন্তু ঘটনা হল, পাক সরকার আবার সে অনুমতি দিতে রাজি নয়। যদিও পাক ক্রিকেটারদের ভারতে গিয়ে খেলার ব্যাপারে কোনো আপত্তি নেই বলেই জানা গিয়েছে।

তারা মনে করেন, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাইয়ে এসে খেললে তাদের কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু পাক সরকার সে বক্তব্য মানতে রাজি নয়। ফলে উঠে এসেছে প্রতিবেশী দুই দেশের নাম। যেখানে এগিয়ে বাংলাদেশই। এ বার ভারতীয় বোর্ড কী করে, সেটাই দেখার।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ দু’হাত ভরে দিয়েছে পাকিস্তানকে। এশিয়া কাপে দুবারই চ্যাম্পিয়ন হয় (২০০০ ও ২০১২) পাকিস্তান এবং দুবারই বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। শ্রীলংকার চেয়েও বাংলাদেশে যে পাক-ভারত সিরিজ বেশি দর্শক টানতে পারবে সেটি জানেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও। তাই তারা চাচ্ছে, প্রস্তাবিত পাক-ভারত সিরিজটি বাংলাদেশেই হোক। -তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

মতামত