টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

কক্সবাজারে পাহাড় কেটে আবাসন প্রকল্প: ৪১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Pic-3_1ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:
কক্সবাজারে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে পাহাড় কেটে অবৈধভাবে আবাসন প্রকল্প তৈরী ও রাস্তা নির্মাণের অভিযোগে ২১ জনের নাম উল্লেখসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম ও পরিদর্শক জাহানারা ইয়াসমিন বাদী হয়ে বৃহষ্পতিবার কক্সবাজার সদর মডেল থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন।
মামলায় আসামীরা হলেন, আমির হোছন মাষ্টার, আহমদ মিয়া, কামরুল, নাছির, জসিম, বাবুল, কামাল, শামশু, শহীদ, জয়নাল আবেদিন, রহমত আলী, ফনী বাবু, ভূট্টো, জাফর আলম, ফরিদ আলম, মিনা, মোশাররফ, জাফর আলম ও সুলতান আহমেদ।
থানায় দায়েরকৃত এজাহারে বলা হয়েছে, কক্সবাজার শহরের ঝিলংজা মৌজার ২০৩০৪ দাগে প্রায় পাঁচ একরের মতো পাহাড় দখল করে তা কেটে অবৈধভাবে প্লট তৈরী করছেন। ইতিমধ্যেই পাহাড় কেটে তৈরী বেশ কিছু প্লট বিক্রি করে লাখ লাখ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছেন তারা। গত এক সপ্তাহ ধরে পাহাড়ের চূঁড়ায় রাস্তা তৈরী করে পাহাড় কেটে প্লট তৈরী করা হচ্ছে। সেখানে বেশ কয়েকটি ঘরও নির্মান করা হয়েছে। এসব প্লট চড়া মূল্যে বিক্রিরও চেষ্টা চলছে।
এতে আসামীরা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ৬খ ধারা লংঘন করে একই একই আইনের দন্ড ধারা ১৫ (১) এর টেবিলের ক্রমিক ৫ অনুসারে দন্ডনীয় অপরাধ করেছেন।
অপরদিকে কলাতলী বাইপাস সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে প্রায়এক’শ ফুট উচু পাহাড় কেটেরাস্তা নির্মাণ করায় ২ জনের নাম উল্লেখ করে ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম বলেন, আবাসন প্রকল্প তৈরীর নামে কক্সবাজার শহরের কলাতলীর হোটেল-মোটেল জোনের পূর্ব পাশের নয়নাভিরাম সূ-উচ্চ পাহাড়ই কেটে ফেলা হচ্ছে প্রকাশ্যে।
তিনি বলেন, একদিকে সাগর অপরদিকে সু-উচ্চ পাহাড় দেখিয়েই দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কক্সবাজারে আকৃষ্ট করার প্রাণপন চেষ্টা করছে সরকার। তাই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত