টক অব দ্য চট্টগ্রাম
Ad2

‘চিংড়িখাত থেকে আয় ৯১ শতাংশ’

Cox-Pic-600x369ইমাম খাইর, কক্সবাজার ব্যুরো:

সারাবিশ্বে মৎস্যখাতে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। মৎস্যখাতে আয়ের ৯১ শতাংশ চিংড়িখাত থেকেই আসে।

বাংলাদেশের বাগদা ও গলদা চিংড়ি গুণে-মানে আজ বিশ্বজুড়ে পরিচিত। মৎস্যখাতে আরো একটু গুরুত্ব দেয়া হলে সারা বিশ্বে প্রথম স্থানে চলে আসবে। ‘গুড অ্যাকোয়া কালচার প্র্যাক্টিস’ অনুসরণে বাগদা চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কক্সবাজারে দুইদিনের কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।

ফিশ ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন (ফোয়াব) বাংলাদেশ’র আয়োজনে ১৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আরো জানানো হয়, বাংলাদেশ মাছ চাষের জন্য অনেক সম্ভাবনার দেশ। আমরা মাছ চাষ করে এগুচ্ছি। ২০১৪/১৫ সালে ৩৬..৬৬ লাখ মেট্টিকটন লক্ষমাত্রা ছিল। এবার লক্ষামাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদন ৩৭ লাখ মেট্টিকটনে এসে দাঁড়িয়েছে। আগামীতে আরো বাড়বে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব বেগম নাসরিন আকতার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিইজিপি প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দুল মালেক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমিতোষ সেন, মৎস্য অধিদপ্তরের প্রাক্তন উপ-পরিচালক ড. নিত্যানন্দ দাশ, অ্যাকোয়া কালচার প্রশিক্ষক গৌতম চক্রবর্তি।

কর্মশালায় মৎস্যচাষিদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন জেলা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুর রহমান, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (সদর) ড. মো. মঈন উদ্দিন আহম্মদ, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (চকরিয়া) মো. সাইফুর রহমান।

কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফিশ ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন (ফোয়াব) এর সিনিয়র সহ- সভাপতি আলহাজ্ব মো. শহিদুল ইসলাম।

শুক্রবার কর্মশালার সমাপনী দিন। এতে অংশ নেয়া জেলার ৫০ জন মৎস্যচাষিদের মাঝে সনদ দেয়া হবে বলে জানান আয়োজক সংগঠন ফিশ ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন (ফোয়াব) বাংলাদেশ’র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মো. শহিদুল ইসলাম।

সিটিজি টাইমসে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য

মতামত